সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্য বন্দরের শতাধিক ট্রলার মাঝিমাল্লাসহ নিখোঁজ রয়েছে। জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল। বৃহস্পতিবার সকল ছোট নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।
পূর্ণিমা ও সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার থেকে পটুয়াখালীসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে ঝড়ো বাতাসের সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় মহিপুর, আলীপুর, রাঙ্গাবালী, চরমোন্তাজসহ উপকূলে ফিরে আসছে মাছধরা ট্রলার।
ফিরে আসা ট্রলারের মাঝিমাল্লারা জানান, এখনো শত শত ট্রলার উপকূলে ফেরার পথে রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম, বাঁশখালী, কুতুবদিয়া, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার এখনও শতাধিক ট্রলার মাঝিমাল্লাসহ নিখোঁজ রয়েছে ।
৩ থেকে ৫ ফুট উঁচু জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে উপকূলের নিম্নাঞ্চলসহ ৫০টিরও বেশী গ্রাম ও চর। পানি প্রবেশ করেছে জেলা শহরেও। সাগর প্রচন্ড উত্তাল থাকায় মহিপুর, আলীপুর, রাঙ্গাবালী, চরমোন্তাজসহ উপকূলে নোঙরে আছে ৩ হাজারেরও বেশী মাছধরা ট্রলার।
দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সকল ছোট নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।







