উত্তরাঞ্চলের বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। যমুনা নদী ও করতোয়া নদীর পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জ ও গাইবান্ধা জেলায় কয়েক লক্ষ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
যমুনার পানি বাড়তে থাকায় সিরাজগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সোমবারও ১০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। জেলা সদর, কাজিপুর, বেলকুচি ও শাহজাদপুরের ২৩টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে আড়াই হাজার হেক্টর রোপা ও বোনা আমন এবং শাক-সবজি। বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষ।
গাইবান্ধার সব নদ-নদীতে পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আবনতি হয়েছে। করতোয়া নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জ ও পৌরসভার নিম্নাঞ্চল।
কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ৯ উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে আছে প্রায় পৌনে ২ লাখ মানুষ।
জেলা প্রশাসন থেকে ৮০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও তা এখনো বিতরণ শুরু হয়নি।







