সিরিজের প্রথম ম্যাচেই পেয়েছিলেন ফিফটির দেখা। দলকে জেতাতে পারেননি। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য ফিফটি পাননি, তবে ব্যাটে-বলে কাটানো দুর্দান্ত একদিনে টি-টুয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন ছোট ফরম্যাটে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২১১ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছে সাকিবের দল। লিটন (৩৪ বলে ৬০) ফিফটি পেয়েছেন। বাকিদের সবারই ব্যাটে ছিল ঝড়।
মাহমুদউল্লাহকে (২১ বলে অপরাজিত ৪৩) নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৯১ রানের জুটি গড়ার পথে সাকিব ২৬ বলে অপরাজিত ৪২ রানের ইনিংস খেলেছেন। যাতে পাঁচটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার।
পরে রানতাড়ায় এসে ব্যাটে ঝড় তুলেছে ক্যারিবীয়রাও। আর তাদের পথহারা করতে মূহমূহ আক্রমণ শানিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সফরকারীদের সাজঘরে ফেরা প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের ৫ জনকেই আউট করেছেন সাকিব।
টাইগারদের টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক শেষপর্যন্ত ৪ ওভারে ২১ রানে ৫ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। যেটি এই ফরম্যাটে সাকিবের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।
সাকিব এর আগে তিনবার ৪ উইকেট করে পেলেও পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন প্রথমবার। ২০১৬ সালের মার্চে ধর্মশালায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে ওমানের বিপক্ষে ৩ ওভার বলে করে ১৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। ওটাই ছিল এতদিনের ক্যারিয়ারসেরা।
ক্যারিয়ারে ৭১টি টি-টুয়েন্টি খেলা সাকিবের উইকেট হল ৮৫টি। ১৯৫ ওয়ানডেতে ২৪৭ উইকেট আছে তার, সেরা ৪৭ রানে ৫টি। আর ৫৫ টেস্টে ৩৬ রানে ৭ উইকেটের সঙ্গে ২০৫ উইকেট সাকিবের নামের পাশে।
সঙ্গে টি-টুয়েন্টিতে পনেরশর কাছে রান আছে অলরাউন্ডার সাকিবের। আর টেস্টে রান চার হাজারের কাছে, ওয়ানডেতে সেটি সাড়ে পাঁচ হাজারের ওপরে।







