আভিজাত্যের প্রতীক ডায়মন্ড। ভুগর্ভের ৯০ থেকে এক’শ বিশ মাইল গভীরে অধিক তাপে ও চাপে জন্ম এই পাথর কণার দাম আকাশ ছোঁয়া। তারপরও ঈদের আনন্দে বিত্তশালী বা উচ্চমধ্যবিত্ত নারীদের সৌন্দর্য্য আর আভিজাত্যের অন্যতম অনুষঙ্গ এখন ডায়মন্ডের অলংকার।
খনিজ ডায়মন্ড বা হিরার জন্ম সুদূর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া কিংবা কানাডায়। ভূগর্ভের গভীরে দুষ্প্রাপ্য ডায়মন্ড উত্তোলনের পর সঠিক মানে কাটিংয়ের পরই হয়ে উঠে অনন্য এক হিরক খন্ড।
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের সেলস এক্সিকিউটিভ রাকেশ জানান, এখন বিশ্বের ৭০ ভাগ ডায়মন্ডের কাটিংই ভারতে হচ্ছে। তবে আমাদের এখানে যেগুলো রয়েছে সেগুলো বেলজিয়াম কাট।
ডায়মন্ডের সাথে মুক্তার বাহারি মিশেলে ইন্ডিয়ান ঘরানার ডায়মন্ড অলংঙ্কার এদেশে পাওয়া যায় বেশী। তবে সময়ের পালাবদলে এখন ঈদের সাজসজ্জায় যোগ হয়েছে মূল্যবান ডায়মন্ডের অলংঙ্কারও।
কেউ আসছেন নোজ পিন নিতে কেউ বা বিয়ের কেনা কাটা করতে। ডায়মন্ড শুধু বিত্তই নয় রুচি আর আভিজাত্যেরও প্রতীক। সাজসজ্জার অতিশয্য যারা পচ্ছন্দ করেন না তারাও এবার ঈদে ডায়মন্ডের অলংকারের আভিজাত্যের মায়ায় বাধা পড়েছেন।
ট্রিপল এক্স কাট বা ‘ডিভাইন সলিটারি’ ডায়মন্ড অলংকার দেশের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ চাহিদা পুরণ করছে। আর ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে বিশেষ ছাড়।







