চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

উচ্চ আদালতে নারীর অদম্য জয়যাত্রা

এস এম আশিকুজ্জামানএস এম আশিকুজ্জামান
১০:০৪ পূর্বাহ্ণ ০৮, মার্চ ২০১৯
- সেমি লিড, আদালত
A A
শহর কিংবা গ্রাম সব জায়গায় নারী তার যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন। যার ছাপ পড়েছে দেশের উচ্চ আদালতেও। বিচারিক কার্যক্রমের বৃহৎ বৃত্তে ফুটে উঠেছে নারীর অদম্য জয়যাত্রা।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ দিনে চ্যানেল আই অনলাইন তুলে ধরছে উচ্চ আদালত সম্পৃক্ত কয়েকজন সফল নারীর বহুমাত্রিক গল্প। যে গল্প হতে পারে অন্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার অনুষঙ্গ।
‘এদেশে একদিন প্রধান বিচারপতি হবেন একজন নারী’ 
দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকা বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা আশা করেন, এদেশে একদিন প্রধান বিচারপতি হবেন একজন নারী।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হয়ে অবসরে যাওয়া নাজমুন আরা সুলতানা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন:  ‘আমি অবসরে যাওয়ার পর আপিল বিভাগে আরও একজন নারী (বিচারপতি জিনাত আরা) বিচারপতি এসেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি হিসেবে নারীর এই যে ধারাবাহিকতা সেটা অব্যাহত থাকবে বলেই প্রত্যাশা করছি। আপিল বিভাগের বিচারপতি জিনাত আরা খুব ভালো করবেন বলেই আমি মনে করি। সেই সাথে আমি এটা আশা করি একদিন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হবেন একজন নারী।
বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
১৯৭৫ সালের শেষের দিকে দেশের প্রথম নারী বিচারক (মুনসেফ) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি থেকে অবসরগ্রহণ করেন নাজমুন আরা সুলতানা। ময়মনসিংহ শহরের বিদ্যাময়ী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে এসএসসি, ১৯৬৭ সালে মুমিনুন্নেসা উইমেন্স কলেজ থেকে এইচএসসি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৬৯ সালে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন নাজমুন আরা সুলতানা। পরবর্তীতে তিনি মোমেনশাহী ল’ কলেজে ভর্তি হন। এবং ১৯৭২ সালে এলএলবি পাস করে পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জজকোর্টে প্রথম নারী আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেছিলেন।
এরপর একে একে অতিরিক্ত জেলা জজ, আইন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে প্রমোশন পেয়ে একসময় দেশের প্রথম নারী জেলা জজ হয়েছিলেন তিনি। বিচারিক আদালতের সব কয়টি স্তরে দেশের প্রথম নারী হিসেবে সাফল্যের পর নাজমুন আরা সুলতানা ২০০০ সালে নিয়োগ পেয়েছিলেন হাইকোর্টে। এর দশ বছর পর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেছিলেন তিনি।
‘এ প্রজন্মেরই কোন নারী আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল হবেন’ 
উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হয়ে দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে মামলা লড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন কারীদের মধ্যে অন্যতম ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম। যিনি বিশ্বাস করেন এ প্রজন্মেরই কোন এক নারী আইনজীবী আগামীতে অ্যাটর্নি জেনারেল তথা রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হবেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে যারা রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হয়ে ডেডিকেশন নিয়ে কাজ করেছেন, আমরা দেখেছি পরবর্তীতে তাদের অনেকেই এদেশের বিচারপতি হয়েছেন। আমিও স্বপ্ন দেখি একদিন এদেশের বিচারপতি হব।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম বলেন: আইন পেশাটিকে আমি যদি বলি গৌরবময় এক অনিশ্চয়তার পেশা। তাহলে বলব, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কাজ করার সুযোগটা হচ্ছে গৌরবময় এক নিশ্চয়তার বিষয়। এখানে কাজ করলে বিভিন্ন ধরণের মামলার সাথে পরিচিত হওয়া যায়। দেশ তথা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আইনজীবী হয়ে অংশগ্রহণ করা যায়। বর্তমানে যে নারী আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে আইন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। তারা প্রতিনিয়ত মেধা, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা দিয়েই নিজেদের প্রমাণ করছেন। আমি মনে করি এই প্রজন্মেরই কোন একজন নারী আইনজীবী আগামীতে অ্যাটর্নি জেনারেল হবেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে আইন পেশায় যুক্ত হওয়া আমাতুল করিম ২০০৯ সালে সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল এরপর ২০১৩ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হয়ে উচ্চ আদালতে রাষ্টপক্ষের মামলা লড়ছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে মামলা লড়ার এক দীর্ঘ পথচলায় এ রাষ্ট্রকে কেমন দেখছেন এমন প্রশ্নে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে, ‘রাষ্ট্র নয়। সরকারের কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে কখনো কখনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হয়।’
‘পরিবেশ রক্ষার লড়াইয়ে যে নারী আপোষহীন’ 
উচ্চ আদালতে পরিবেশ আর প্রকৃতি রক্ষার আইনী লড়াইয়ে যে নারী আপোষহীন বলে সুপরিচিত তিনি সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী পরিবেশ নিয়ে লড়াই করছেন সেই ১৯৯৪ সাল থেকে।
পরিবেশ নিয়ে কাজ করা এই অদম্য নারী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: আইনজীবী হবার পর থেকেই একটা ইচ্ছা ছিল যে, প্রথাগত আইনী পেশায় আমি কখনো যাব না। মানবাধিকারকে ছুয়ে যায় এমন কোন একটি বিষয় নিয়ে কাজ করব। সেই ভাবনা থেকেই বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) হয়ে কাজ করা শুরু করি। পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় মাথায় নিয়েছি যে, জীবনের অধিকার তো অর্থহীন হয়ে পড়বে যদি পরিবেশের অধিকার স্বীকৃত না থাকে। তাই পরিবেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনী লড়াই করে যাচ্ছি। যা চলিয়ে যাবো আজীবন।

পরিবেশ নিয়ে আইনী লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে অনেক সফলতা এসেছে উল্লেখে করে বেলা’র প্রধান নির্বাহী বলেন: পরিবেশ রক্ষায় এখন পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক মামলা লড়েছি। আমাদের কার্যক্রমের ফলে ঢাকা শহর থেকে বেবিট্যাক্সি উঠে গিয়ে সিএনজি অটোরিকশার প্রচলন হয়েছে। জলাশয় ভরাট করে নেওয়া মেগা হাউজিং প্রজেক্ট মধুমতি মডেল টাউন অবৈধ ঘোষণা হয়েছে। হাজারীবাগ ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরিত হলো। এছাড়া পরিবেশ  সংক্রান্ত কয়েকটি আইন ও বিধিমালাও আমাদের কাজের সূত্র ধরে এসেছে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন: অনেক অনেক বাধা এসেছে। আর এসব বাধা মূলত এসেছে বড় বড় অর্থনৈতিক অপশক্তির কাছ থেকে। যারা পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে  শিল্প-বাণিজ্য করতে চায়। পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে গিয়ে পরিবার ও নিজের উপর অপপ্রচার এসেছে। নিজের জীবনের উপর হুমকি এসেছে, পরিবারের সদস্যদের উপর হুমকি এসেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারের কিছু কিছু লোকের থেকেও বাধা এসেছে। তবে আবার সরকারের অনেকের কাছ থেকে সাপোর্টও এসেছে। তবে আশা করি এখন যেমন বৈরি লড়াই চলছে একসময় পরিস্থিতি পরিবেশের হয়ত উন্নয়ন হবে। পরিবেশ রক্ষার লড়াইয়ে তখন হয়তো আরো সহযোদ্ধা পাবো।
পরিবেশ নিয়ে লড়াই করার স্বীকৃতি হিসেবে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পেয়েছেন অনেক পুরস্কার ও স্বীকৃতি। পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে অনবদ্য ভূমিকা রাখায় ২০০৭ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘পরিবেশ পুরস্কার’-এ ভূষিত হন তিনি। এবং তার পরিচালিত সংগঠন বেলা ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘের এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম ঘোষিত গ্লোবাল ৫০০ রোল অফ অনার্স পুরস্কারে ভূষিত হয়। এছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে তিনি পেয়েছেন ‘পরিবেশের নোবেল’ খ্যাত ‘গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ’। আর পরিবেশ রক্ষায় নানামুখি কর্মকাণ্ডের কারণে ২০০৯ সালে বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী রিজওয়ানা হাসানকে ‘হিরোজ অফ এনভায়রনমেন্ট’ খেতাবে ভূষিত করে। সর্বশেষ ২০১২ সালে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার হিসেবে বিবেচ্য ফিলিপাইনভিত্তিক রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।
তরুণ আইনজীবী উদ্দেশ্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন: তরুণদের কাছে আমি আশা করব পরিবেশ বা মানুষকে ছুঁয়ে যায়, জীবনকে ছুঁয়ে যায়, আমজনতাকে ছুঁয়ে যায় এমন বিষয় তরুণ আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ে কিছুটা হলেও নিবেদিত হবেন।  আর আইনের যে ব্রাঞ্চেই কাজ করুন না কেন সেই কাজের মধ্যে যেন সততা থাকে সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে।
‘কাজের স্বীকৃতিতে তিনি এশিয়ার ‘ইয়াং লিডার’ 
আইন পেশায় দক্ষতা ও জনস্বার্থমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এশিয়ার ‘ইয়াং লিডার’ হয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের তরুণ নেতৃত্বদানকারীদের নিয়ে প্রতিবছর এশিয়া সোসাইটি একটি তরুণ নেতৃত্বের তালিকা প্রকাশ করে। সে তালিকায় ‘এশিয়া ইয়াং লিডার-২০১৮’ এর ৩১ জন তরুণ নেতৃত্বের নাম উঠে আসে, যাদের মধ্যে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম একমাত্র বাংলাদেশি।
 ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম
ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম
এ অর্জন বিষয়ে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন: আসলে যে কোন স্বীকৃতি মানুষকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগায়। এ স্বীকৃতি আমাকে জনস্বার্থমূলক কাজের প্রতি আরো দায়বদ্ধ করবে। প্রেরণা জোগাবে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিসিএল ডিগ্রি নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ল’ ফার্ম বেকার অ্যান্ড মেকাঞ্জিতে কাজ করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। এরপর দেশে ফিরে বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী এবং বহুজাতিক কোম্পানির আইন উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত হন। সেই সাথে প্র্যাকটিস শুরু করেন সুপ্রিম কোর্টে।
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে আইনগত বাধ্যবাধকতা, মৃত্যু পরবর্তী অঙ্গদানসহ বিভিন্ন মৌলিক অধিকার নিশ্চিত সংক্রান্ত আলোচিত কিছু মামলা লড়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
‘মামলা জয়ে তরুণ আইনজীবীর বাজিমাত’
সুপ্রিম কোর্টের তরুণ আইনজীবী আঞ্জুমান আরা লিমা। যিনি মাত্র চার বছরে উচ্চ আদালতে লড়েছেন চার হাজারের অধিক মামলা। যার মধ্যে ছয়’শ মামলার রায় ইতিমধ্যে হয়েছে, যেখানে চার’শ মামলার রায় এ আইনজীবীর পক্ষে এসেছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে আইন পেশায় যুক্ত হন আঞ্জুমান আরা লিমা। এরপর উচ্চ আদালতে প্রাক্টিস শুরু করেন ২০১৫ সাল থেকে।

আইনজীবী আঞ্জুমান আরা লিমা
আইনজীবী আঞ্জুমান আরা লিমা
তরুণ এ আইনজীবী তার সফলতার বিষয়ে বলেন:  আমি অবশ্যই ভাগ্যবান। মাত্র চার বছরেই উচ্চ আদালতে চার হাজারের অধিক মামলা নিজেই লড়েছি। যার মধ্যে ছয়’শ মামলার রায় ইতিমধ্যে হয়েছে, যেখানে চার’শ মামলার রায় পক্ষে পেয়েছি। আমি মনে করি এ সাফল্যের মূলে রয়েছে কাজের প্রতি আমার ডেডিকেশন। আর দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলা শেষ করার চেষ্টা ও মক্কেলের আস্থা অর্জন করা।
‘আইন পেশায় থেকে আমি প্রতিনিয়ত শিখছি। এভাবে শিখতে শিখতেই এগিয়ে যাবো। আমার স্বপ্ন আমি একদিন এদেশের একজন পথিকৃৎ মহিলা আইনজীবী হব।’
আইন পেশায় তরুণ আইনজীবীদের প্রতিবন্ধকতা সম্বন্ধে আঞ্জুমান আরা লিমা বলেন: তরুণ আইনজীবীকে এই পেশার শুরুর দিকে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। অনেক সিনিয়র সেভাবে জুনিয়রদের আর্থিক সাপোর্ট দেন না।
তবে এক্ষেত্রে বলব, তরুণ আইনজীবীকে হতাশ হলে চলবে না। তুমুল ইচ্ছা শক্তি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এতে করে একদিন সফলতা আসবেই।
উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালকের বাইরেও বেশ কিছু কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করেছেন এ আইনজীবী। সে বিষয়ে তিনি বলেন: আমি বর্তমানে প্রায় ৮৫ টি ব্যাংক-কোম্পানির আইন উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত আছি। এছাড়া একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে আইন- আদালত ভিত্তিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছি।
সেই সাথে কাজ করছি শিশুদের নিয়ে। পথশিশু মুক্ত বাংলাদেশ গড়াই আমার অন্যতম স্বপ্ন।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আদালতআন্তর্জাতিক নারী দিবসনারীবিচারপতি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ভারী বর্ষণে বেড়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়াল ২০০ মেগাওয়াট

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে

জুলাই ১৩, ২০২৬

রাজধানীর ভূমিকম্প ও অগ্নিঝুঁকি মানচিত্রও প্রণয়ন করা হয়েছে

জুলাই ১৩, ২০২৬

বন্যাকবলিত ১১ জেলার সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জুলাই ১৩, ২০২৬

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুসহ ১৩ জনের ছবি প্রকাশ করে ইরানের প্রতিশোধের বার্তা!

জুলাই ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT