বল ব্যাটে আসছে অনায়াসে। উইকেটরক্ষক মুশফিকের তাই বল ছাড়াই থাকতে হচ্ছে বেশিরভাগ সময়। ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে ভিত গড়ে ফেলছে। অ্যালেক্স হেলস এবং জো রুট বিপজ্জনক হয়ে উঠছেন।
বাংলাদেশ এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করে ৩০৫ রান সংগ্রহ করে। তামিম ইকবাল ১২৮ রানের ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহে অবদান রাখেন।
ওভালের ইতিহাস বলছে তিন শতাধিক রান করে এই মাঠে দুই দলের হারার নজির আছে। ১১ বার জিতেছে তিনশ পার করা দল।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভার মোকাবিলা করতে দাঁড়িয়ে যান তামিম। সকালের এই ওভারটি নিরাপদে পার করেন ওপেনার। এরপর সৌম্যকে নিয়ে তামিম ৫৬ রানের জুটি গড়েন। স্টকসের শর্ট বলে সৌম্য (২৮) ফিরে গেলে ইমরুল মাঠে নামেন। ব্যাটিংয়ে শক্তি বাড়াতেই ইমরুলকে একাদশে রাখা হয়। সেই ইমরুল (১৯) খুব একটা ভালো করতে পারেননি। প্লাঙ্কেটকে উড়িয়ে মারতে যেয়ে মিডঅনে ধরা পড়ে যান। মার্ক উড দারুণ ক্যাচ নেন।
ইমরুল ফিরে গেলে মুশফিক এসে তামিমকে সঙ্গ দেন। ২৮ ওভার শেষে এক পর্যায়ে স্কোরবোর্ডে রান ছিল ১৫০। তামিম ১২৪ বল খেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজের প্রথম শতক হাঁকান। সেঞ্চুরির পরও তাড়াহুড়া করেননি। আরও ২৮টি রান যোগ করেন। প্লাঙ্কেটের বলে বাটলারের হাতে যখন ধরা পড়েন, তখন মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি ১৬৬ রানের। তামিম ফিরতেই মুশফিক (৭৯) নড়বড়ে হয়ে যান। ঠিক পরের বলে বড় শট খেলতে যেয়ে লংঅফে ধরা পড়েন।
শেষ দিকে সাকিব (১০) রান বাড়াতে ব্যর্থ হন। হাত খুলে খেলতে যেয়ে বিদায় নেন। ৪৭তম ওভারের চতুর্থ বলে ফিরে যান তিনি। সাব্বির ১৫ বলে করেন ২৪। ৪৯ ওভার শেষে ৩০০তে পা রাখে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে আসে ৫।








