সারা দেশের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার মহাসড়কের নিরাপত্তার বিপরীতে হাইওয়ে পুলিশের সংখ্যা অপ্রতুল। তবু ঈদের সময় বাড়ে তৎপরতা। তবুও ফোর্স নিয়ে ঈদ সেবায় প্রস্তুত হাইওয়ে পুলিশ। কিছু দূর পরপর থাকছে মোটরসাইকেল পেট্রোল টিম। আছে র্যাকারেরও ব্যবস্থা। কোরবানির পশু বহনকারী গাড়িতে চাঁদাবাজি বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করেছে হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার।
নিজেদের জনবল কম থাকায় জেলা, শিল্প ও নৌ পুলিশের সহায়তায় টাস্কফোর্স গঠন করে কোরবানি ঈদে মহাসড়কের নিরাপত্তা দেবে হাইওয়ে পুলিশ।
হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মল্লিক ফখরুল ইসলাম বলেন, হাইওয়ে পুলিশের যে জনবল আছে তার ৯৫ শতাংশ আমরা এই হাইওয়েতে নিয়োগ করেছি। তারা ঈদের আগে এবং ঈদের পরে এই দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।
কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হতে স্থানীয় পর্যায়ে নিদের্শনার কথা বলেছেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি।
তিনি আরো বলেন, পণ্যবাহী ও গরুবাহী যে ট্রাক এই ট্রাকে কোন ধরনের তল্লাসী চালাবে না, সেই ট্রাক আটকাবে না থামাবে না। যেখানে চাঁদাবাজি হবে সেখানে পুলিশ করুক আর যেই করুক সেখানে গাড়ী থামিয়ে আমাদের ফোন করবে আমরা তার ব্যবস্থা নিবো। তার সেই জায়গায় অবস্থান কালীন সময় কোন হয়রানি বা ক্ষতির সম্ভবনা থাকে এগুলো পুরণ করে দেওয়ার চেষ্টা করবো।
রাজধানীবাসীর ঈদ উদ্যাপনে গ্রামে ফেরার সঙ্গে রাজধানীতে আসছে পশুবাহী ট্রাক। এ সময় মহাসড়কে যানজট এড়াতে মাঠেই থাকবেন হাইওয়ে পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।







