পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু হচ্ছে আগামী ১৪ জুলাই।
সোমবার সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের সভাকক্ষে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভা শেষে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর মোজাম্মেল হক জানান, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে বন্দর সমন্বয় কমিটি মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করবে। প্রতিটি লঞ্চে দক্ষ মাস্টার ও চালকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। লঞ্চে পর্যাপ্ত পরিমাণ জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম রাখতে হবে। মাঝ নদীতে নৌকা দিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করা যাবে না।
লঞ্চের ছাদে যাত্রী নেয়ার ক্ষেত্রেও থাকছে নিষেধাজ্ঞা। এবার ছাদে কোনো যাত্রী তোলা যাবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ হয়ে টার্মিনাল পর্যন্ত রাস্তা সার্বক্ষণিক একমুখী রাখা হবে।
এছাড়া ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু করবে রেলওয়ে।
রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, ৯ জুলাই ১৩ জুলাইয়ের যাত্রার, ১০ জুলাই ১৪ জুলাইয়ের যাত্রার, ১১ জুলাই ১৫ জুলাইয়ের যাত্রার, ১২ জুলাই ১৬ জুলাইয়ের যাত্রার এবং ১৩ জুলাই ১৭ জুলাইয়ের যাত্রার টিকেট বিক্রি করবে।
একজন যাত্রীকে সর্বাধিক ৪টি টিকেট দেয়া হবে এবং বিক্রিত টিকেট ফেরত নেয়া হবে না।
আগামী ১৩ জুলাই থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনের কোনো বিরতি থাকবে না। যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে চলমান ট্রেনগুলোর সঙ্গে ১৬৯ টি যাত্রীবাহী অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করবে।এ সময় কারখানায় মেরামত করে ২৫ টি অতিরিক্ত ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার যাত্রী পরিবহণ করা হয়ে থাকে।পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।







