বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় ছয় মাসের মধ্যে চলচ্চিত্রে ই-টিকেটিং ও ‘টু-কে রেজুলেশন’ মেশিন চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু। শুধু তাই নয়, সারাদেশের সিনেমা হলের পরিবেশ উন্নত করতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার। যেটা দিয়ে টু-কে রেজুলশনের মেশিন নেয়া হবে।
বুধবার সন্ধ্যায় ‘অফিসার রিটার্নস’ ছবির মহরতে প্রযোজক খসরু বলেন, প্রি-একনেকে এই বরাদ্দ পাশ হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে হল উন্নয়নে কাজ শুরু হবে, টু-কে রেজুলেশন মেশিন বসানো হবে। চলচ্চিত্র পাইরেসি মুক্ত হবে। আর ই-টিকেটিং সেবাও চালু হবে। এতে করে প্রযোজক বাঁচবে। নতুন করে তারা চলচ্চিত্রে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে।
সারাদেশে যখন ছবি মুক্তি পায় তখন প্রযোজকের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন হলে হিসেবের জন্য রিপ্রেজেন্টেটিভ পাঠানো হয়। হল মালিক কিংবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়ে ওই রিপ্রেজেন্টেটিভ সারাদিনের সেলের হিসেব কমিয়ে দেয়। পয়সা নিয়ে নিজের পকেটে ভরে। এতে করে প্রযোজক আর্থিক দিক দিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েন। ‘ই-টিকেটিং’ চালু হলে এই দুনীর্তি বন্ধ হবে জানান প্রযোজক খসরু।
তিনি বলেন, ই টিকেটিং হলে প্রযোজকদের আর পকেটের পয়সা খরচ করে রিপ্রেজেন্টেটিভ নিয়োগের প্রয়োজন হবে না। ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে জানা যাবে কোন হলে প্রতিদিনের সেল কেমন। এখানে সেল ভাগাভাগি করা যাবেনা। প্রযোজক সলিড সেল পাবেন। এটা চালু হওয়া খুবই দরকার।
খোরশেদ আলম খসরু আর বলেন, টু-কে রেজুলেশনের মেশিন প্রকৃত ডিজিটাল। এতে করে পাইরেসি পুরোপুরি নির্মূল হবে। যেকোনো মানের সিনেমা পাইরেসি না হলে বছর ঘুরে টাকা উঠে আসে। টু-কে রেজুলেশন বসলে এদিক থেকে আমরা আমাদের প্রযোজকদের বাঁচাতে পারবো।
প্রথমে দেশের কয়েকটি সিনেমা হলে টু-কে রেজুলেশন মেশিন চালু হবে। ধীরে ধীরে দেশের সব সিনেমা হলে এই মেশিনের আওতায় আনা হবে বলে জানান খোরশেদ আলম খসরু।








