টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার পরই মৃত্যু হয়েছে সখিনা বেওয়া (১০২) নামের এক বৃদ্ধার। ওই বৃদ্ধা এই বয়সে নাতনির সহযোগিতায় জীবনের শেষ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। তিনি আলমনগর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের স্ত্রী।
দুপুরে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে জীবনের শেষ ভোট প্রয়োগ করেন সখিনা বেওয়া।
সখিনা বেওয়ার ভাগ্নে জুলহাস মিয়া জানান, ছেলে ও নাতনির সহায়তায় ভ্যানযোগে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন সখিনা বেওয়া। উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের আলমনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মহিলা বুথে সখিনা বেওয়া তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সখিনা বেওয়ার ছেলে মজিবর রহমান বলেন, আম্মার বয়স ১০০ বছর ছাড়িয়েছে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ আম্মা তার শেষ ভোট দিলেন। একা চলতে পারেন না। তাই নাতনির সহযোগিতায় এবং বাড়ি থেকে ভ্যানগাড়িতে তাকে কেন্দ্রে আনা হয়েছে।
সখিনা বেওয়া নাতনি হালিমা বলেন, ভ্যানগাড়িতে করে দাদীকে কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি এব দাদী ভোট দিয়েছে। ভোট প্রদানে কোন সমস্যা হয়নি। ভোট দিতে আসা অনেকের আঙ্গুলের ছাপ মিলে না। অথচ দাদী মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ দেয়ার সাথে সাথে মিলে গেছে। তার জীবনের শেষ ভোট দিলেন তিনি।
আলমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৯০৩টি ভোট। ভোট দিতে আসা অনেকের আঙ্গুলের ছাপ আসেনা। অনেকেই ইভিএমি ভোট দিতে পারেন না। যে কারণে ভোট গ্রহণে ধীরগতি হয়েছে। সখিনা বেওয়া তার নাতনির সহযোগিতায় তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে কোন ঝামেলা ছাড়াই।







