ইনজামামুল হকের হাত ধরে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে শুরু হলো আফগান রূপকথা। শনিবার বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়েকে ৭৩ রানে হারিয়েই ইতিহাসে ঢুকে গেছে আফগানিস্তান। এই প্রথম আইসিসির কোনো পূর্ণ সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতলো আফগান বীরেরা। আর এই বীরদের পেছন থেকে প্রেরণা জুগিয়েছেন সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক ইনজি।
পাঁচ ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জয়ের জন্য স্বাগতিকদের ২৪৬ রানের মাঝারি লক্ষ্য খাড়া করেছিলো আফগানিস্তান।সেই মাঝারি স্কোরকে জিম্বাবুয়ের কাছে পাহাড়সম করে তোলে আফগান বোলাররা।
২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার চার বছরের মধ্যেই আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে যোগ্যতার প্রমাণ রাখলো আফগানরা। এ পর্যন্ত খেলা ৫৬টি ওয়ানডের মধ্যে হার-জিতের হিসাবে আফগানিস্তান সমানে সমান।
জিম্বাবুয়ের ইনিংস সমাপ্তির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা আফগান বোলারদের। দৌলত জর্দান ২২ রানে ৪ উইকেট তুলে এতে নেতৃত্ব দেন, বাহাতি স্পিনার আমির হামজা তুলে নেন ৩ উইকেট। আফগানিস্তানের বোলিং তোপে জিম্বাবুয়ে ১৭২ রানে অলআউট হওয়ায় বিফলে যায় শন উইলিয়ামসের ক্যারিয়ারের প্রথম শতক।
ঘরের মাঠে প্রথত শতক পাওয়া উইলিয়ামস পরে দৌলত জর্দানের সঙ্গে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য ম্যাচও নির্বাচিত হন। জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা লুক জংউয়ি। ১৬ রান করা এই বোলারের সঙ্গে এদিন আর মাত্র দুই ব্যাটসম্যান দুই অংকের রান করতে সমর্থ হন।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব স্টেডিয়ামে টসে জিতে ফিল্ডিং নেন স্বাগতিক দলনেতা এল্টন চিগুম্বুরা। নূর আলী জর্দান (৫৪), মোহাম্মদ শাহজাদ (২৬) ও মোহাম্মদ নবীর (৫৩) ধীর সূচনার পর আসগর স্তানিকজাই ৩৮ ও মিরওয়াইস আশরাফ ২১ রান করেন ভিত রচনা করেন।
মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় শুরুর ভিতকে বেশি উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেনি আফগানরা। তবে শেষের দিকে দৌলত জর্দান ও মিরওয়াস আশরাফ মিলে আড়াইশ’ কাছাকাছি লক্ষ্য দাঁড় করান। জিম্বাবুয়ের বোলারদের মধ্যে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও সেকেন্দার রাজা ৩টি করে উইকেট নেন।







