পাওয়ার প্লে-র ৩৬ বলে ৫০ রান তুলেছিল সিলেট সানরাইজার্স। পরের পঞ্চাশ তুলতে দুই ওপেনার খরচ করেন আরও কম— ২৯ বল। আসরে ছিটকে যাওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে সান্ত্বনার জয় এনে দিতে ব্যাট হাতে এনামুল হক-কলিন ইনগ্রামরা দেখালেন দাপট।
বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় খেলায় কুমিল্লার বোলারদের উপর ছড়ি ঘোরালেন সানরাইজার্স ব্যাটাররা। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে দলটি তুলেছে ১৬৯ রান। আগের ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে ৯০ রান করা ইনগ্রাম এদিনও ছিলেন মারকুটে মেজাজে। ৬৩ বলে করেছেন ৮৯ রান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে শতরান ছাড়ানো জুটি গড়েন সিলেটের দুই ওপেনার এনামুল-ইনগ্রাম। প্রথম ছয় ওভারে ৫০ রান করা দল শতরান ছুঁয়ে ফেলে ১০.৫ ওভারেই। বড় স্কোর গড়ার দিনে টেবিলের তলানীর দলটি প্রথম ধাক্কা খায় যখন স্কোর ১০৫ রান।
ব্যক্তিগত ৪৬ রানে ওপেনার এনামুল হক শিকার হন মোস্তাফিজের। ৩৩ বলের ইনিংসে হাঁকান তিনটি ছক্কা ও চারটি চার। গত ম্যাচে একাদশে জায়গা না পাওয়া সিমন্স ব্যাট করেন তিন নম্বরে। পরিস্থিতির দাবি মেটাতে পারেননি। ১৩ বলে ১৬ রান করে ফেরেন ক্যারিবিয়ান হার্ডহিটার।
অধিনায়ক বোপারা এদিনও ব্যর্থ হন। ইংলিশম্যানের ব্যাট থেকে আসে ১ রান। অন্যপাশ আগলে রানের চাকা সচল রাখেন ইনগ্রাম। রান তোলার শুরুর গতি মাঝের দিকে স্লথ হয়ে আসলেও বড় স্কোর গড়তে ভূমিকা রাখেন। নয়টি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৮৯ রান। একদিন আগে সাকিবের বরিশালের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৯০ রান।
ছক্কা হাঁকাতে পারদর্শী আলাউদ্দিন বাবুকে নামানো হয় একটু উপরে। ঠিকঠাক মান রাখতে না পারলেও ফেরার আগে করেছেন ৮ বলে ১০ রান। ১ বলে ১ রানে অপরাজিত ছিলেন দলটির সাবেক অধিনায়ক মোসাদ্দেক।
ব্যাটারদের দিনে কুমিল্লার বোলাররা দারুণ ফিনিশিং টেনেছেন। ৪ ওভারে ২৩ রান খরচায় তিন উইকেট তুলেছেন মোস্তাফিজ। টাইগার পেসারের শিকার হয়েছেন কলিন ইনগ্রাম, বাবু ও এনামুল হক। একটি করে উইকেট তুলেছেন নারিন ও তানভির ইসলাম।








