ইতিহাসের ভেলায় ভর করে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের মোনাকো মুখোমুখি হতে যাচ্চে জুভেন্টাস। ‘তুরিনের ওল্ড লেডি’রা ইতিহাসে ভর করলেও বর্তমানেই আস্থা রাখছে মোনাকো।
এর আগে আ ১৯৯৭-৯৮ আসরে ইতালিয়ান জায়ান্টদের মুখোমুখি হয়ে পারেনি ফরাসি ক্লাবটি। পরে ২০১৪-১৫ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালেও জুভেন্টাসের কাছে হেরে যায় তারা। গত ১৩ বছরের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম সেমিফাইনালে ওঠাদ মোনাকোর সামনে তাই কঠিন চ্যালেঞ্জ।
ইতিহাস কিন্তু জুভেন্টাসের পক্ষে। এর আগে ফরাসি কোনো দলের বিপক্ষে দুই লেগের ম্যাচে মোট ১১ বারের মুখোমুখিতে জুভেন্টাস কখনই হারেনি। চলতি আসরে এ পর্যন্ত ১০ ম্যাচে মাত্র দুই গোল হজম করেছে ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির রক্ষণভাগ। ঘরের মাঠে এবার সাত ম্যাচের ছয়টিতেই জয়ের মুখ দেখা মোনাকোর জন্য তাই বোনুচ্চি-কিয়েল্লিনিদের রক্ষণভাগে চিড় ধরানো ভীষণ কঠিন হবে।
তা স্বীকার করে নিয়ে স্বাগতিক দলের ডিফেন্ডার কামিল গ্লিক। তিনি বলেন, ‘বার্সেলোনার মতো দলও দুই ম্যাচে তাদের জালে গোল করতে পারেনি। ম্যাচটা তাই আমাদের জন্য ভীষণ কঠিন হবে। তবে আমরা লড়াই করব’।
চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত খেলে সবার মন জয় করে নিয়েছে মোনাকো। দলে রয়েছেন দারুণ কিছু তরুণ খেলোয়াড়। কিলিয়ান এমবাপে, বার্নাদো সিলভা ও থমাস লেমার তাদের অন্যতম। এদের মধ্যে ফ্রান্সের ১৮ বছর বয়সী স্ট্রাইকার এমবাপে নজর কেড়েছেন আলাদা করে। শেষ ১৮ ম্যাচে ১৮ গোল করা এমবাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে একাই করেছেন তিন গোল।
এছাড়া মোনাকো আক্রমণভাগের ফলায় রয়েছেন অধিনায়ক ও স্ট্রাইকার র্যাদামেল ফ্যালকাও। ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে গোল করেন কলম্বিয়ান এ স্ট্রাইকার।
লিগ ওয়ান টেবিলে শীর্ষস্থানীয় মোনাকো তাদের শেষ চার ম্যাচের দুটিতে জিতলেই জিতে নেবে লিগ শিরোপা। পাশাপাশি রয়েছে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ‘ডাবল’ অর্জনেরও হাতছানি।
মোনাকোর মতো জুভেন্টাসও রয়েছে লিগ শিরোপা জয়ের পথে। হাতে মাত্র ৪ ম্যাচ রেখে টেবিলে দ্বিতীয় এএস রোমার সঙ্গে ৯ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির দলও।







