যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে
ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। পার্টির
ন্যাশনাল কনভেনশনে সুপার ডেলিগেটদের সবগুলোতেই সমর্থন পেয়েছেন সাবেক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
চূড়ান্ত মনোনয়নের একদিন আগে শুরু হওয়া নাটকে উঠে আসে নানা বিতর্ক। কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঠেকাতে একাট্টা ডেমোক্র্যাটরা। সব বিতর্ক পাশ কাটিয়ে প্রত্যাশিত মনোনয়ন পেলেন হিলারি ক্লিনটন। সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি ও নিউইয়র্কের সিনেটরই হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।
ফিলাডেলফিয়ার কনভেনশনে হিলারির পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন মনোনয়ন লড়াইয়ে তার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বার্নি স্যান্ডার্সসহ সব সুপার ডেলিগেটরা। ৫০ জন সুপার ডেলিগেটের সবার ভোটই পেয়েছেন হিলারি। সাধারণ ডেলিগেটদের মধ্যে ২ হাজার ৩শ ৮২ ভোট নিয়ে মনোনয়ন গ্রহণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ প্রতিদ্বন্দ্বী।
আগের দিন হিলারির স্বপক্ষে বক্তৃতা করেছেন বর্তমান ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। তাকে চাপের মুখে অনমনীয় নেতা হিসেবেও উল্লেখ করেন মিশেল।
মিশেল বলেন, এই নির্বাচনে, আমি দায়িত্ব নিয়ে তার ওপর এই আস্থা রাখছি যে, একজনই আছেন, যিনি সত্যিকার অর্থে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য। তিনি আমাদের বন্ধু হিলারি ক্লিনটন। নির্বাচনে আমি তার সঙ্গেই আছি।
হিলারিকে ‘অবশ্যই প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দেখতে চান বলে বার্নি স্যান্ডার্স। তিনি বলেন, হিলারি ক্লিটনকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে হবে। তার নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ এখনো হারিয়ে যায়নি।
চারদিনের এই সম্মেলন বৃহস্পতিবার শেষ হবে।








