নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বরখাস্ত হওয়া জেনারেল ম্যানেজার ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের তিন শিক্ষকের এক আবেদন নিষ্পত্তি করে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ মহানগর বিশেষ আদালতকে ওই নির্দেশ দেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
একই সাথে ওই সময়ে যারা অবৈধ সুবিধাভোগী ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাতে দুদকে বলেছেন আদালত। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছেন, নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে ইউসুফ আলী মৃধাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও পরে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক।
২০১২ সালে ৯ এপ্রিল বিজিবি’র সদরদপ্তরের সামনে টাকার বস্তাসহ ইউসুফ আলী এবং কয়েকজন আটক হন। রেলের পূর্বাঞ্চলে ১ হাজার ১১৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে পাওয়া টাকা সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় নেয়া হচ্ছিল বলে দাবি করেন ইউসুফ আলী মৃধা। দুর্নীতির অভিযোগে ইউসুফ আলী মৃধা এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ১৪ টি মামলা করে দুদক। চট্টগ্রামের কোতয়ালী থানার মামলায় চার্জশিট দেয়ার সময় ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে ৩২ জনকে আসামী করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া, হিসাব বিজ্ঞানের মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং পদার্থ বিজ্ঞানের তপন কুমার দাস।






