ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা গ্রিসের অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিবাসন সংকট। আফ্রিকা থেকে থেকে আসা অভিবাসীরা এখন মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ। শুধু গ্রিসই নয়ই সংকটে পড়েছে ইটালিও।
তবে ইইউ জানিয়েছে, বছর দুয়েকের মধ্যে গ্রিস এবং ইটালি থেকে ১০ হাজার অভিবাসীকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পুর্নবাসন করা হবে। জীবনমান বাড়ানোর আশায় ভূ-মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা থেকে মানুষ সাগর পথ দিয়ে আসছে ইউরোপে। নজরদারি বাড়ানোর পরও সাগরে ভেসে আসা মানুষের ঢল থামছে না। এ বছর এখন পর্যন্ত ইউরোপে পাড়ি জমানো মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা ১শ’৪৯ শতাংশ বেশি। এ সংখ্যা গ্রিসে ৬৩ এবং ইটালিতে ৬২ হাজার। আরো ১০ হাজারের মত অভিবাসি এসেছে হাঙ্গেরি এবং সার্বিয়া সীমান্তে।
আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা- আইএমও জানিয়েছে, গত বছর ভূ-মধ্য সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২শ’৭৯ জনের। আর এ বছরের জুন পর্যন্ত লিবিয়া থেকে ইটালি যাওয়ার পথেই ১ হাজার ৮শ’৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা বলছে, বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা, দারিদ্র্য, যুদ্ধ মানুষকে অভিবাসি হতে বাধ্য করছে। আফগানিস্তান, সিরিয়া এবং উত্তর আফ্রিকা থেকেই অভিবাসির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তরে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট গ্রিসের আর্থনৈতিক সংকট ও অভিবাসি সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠকে জানিয়েছেন, আগামী দু বছরে ইটালি ও গ্রিস থেকে ৪০ হাজার অভিবাসিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পুর্নবাসন করা হবে। এ সমস্যা সমাধানে ইউরোপের সব দেশকে এক সাথে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন তিনি।






