আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ভোট দানে প্রভাবিত করার অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে পুলিশ। যে কোনো ধরনের গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে ফৌজদারী আইনের আওতায় আনা হবে।
নির্বাচনের আইন শৃংখলা নিয়ে পুলিশ সদর দফতরে পুলিশ, র্যাব, এসবি, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আইজিপির বৈঠক। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি)।
প্রথম দফায় ইউপি নির্বাচন মঙ্গলবার (২২ মার্চ)। ওই দিন ভোট গ্রহণ করা হবে ৭ শ ৭২১টি ইউনিয়ন পরিষদে। প্রথম পর্বের নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ লাখ ৮০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী। তবে কোনো কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপুর্ণ মনে করছে না পুলিশ।
আইজিপি একেএম শহীদুল হক বলেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে মোবাইল ব্যাটালিয়ন থাকবে, প্রত্যেকটি উপজেলায় পুলিশের স্টাফ রিজার্ভ থাকবে। প্রত্যেকটি ইউনিয়নে র্যাবও থাকবে, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে।
সারা দেশে দু’শ ৮ টি নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন-পূর্ব সহিংসতা হয়েছে। এর মধ্যে কেবল বরিশাল বিভাগেই ঘটে অন্তত ১শ ৩টি সহিংস ঘটনা। এ কারণে ওই বিভাগের নির্বাচনী আইন শৃংখলাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
শহীদুল হক আরো বলেন, মারামারি অতীতে সব নির্বাচনেই কম-বেশি হয়েছে। আমি মনে করিনা বড় কিছু হয়েছে কিন্তু আমাদের অ্যাকশন ছিলো। গোয়েন্দা সংস্থা থেকে বা আমাদের সূত্র থেকে কোনো তথ্য পেলে আমরা তাদের ডেকে সতর্ক করে দিয়েছি।
সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে জনগণ ও প্রার্থীদের সহায়তা চান আইজিপি।






