জাতিসংঘের ক্রীড়া শুভেচ্ছা দূত হলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। জাতিসংঘের শিশু তহবিল বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত করা হয়েছে টাইগার দলনায়ককে।
২০১৪ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ দলের হয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান মাশরাফি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বড় দলগুলোকে হারাতে পেরেছে।
২০১৪ সাল থেকে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২১ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছেন ১৬ টিতে। হেরেছেন মাত্র ৫ টি ম্যাচে। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো সাত নম্বর স্থানে তুলে আনেন মাশরাফি। তাঁর নেতৃত্বেই ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে বসতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য কোয়ালিফাই করেছে বাংলাদেশ।
২০১৫ সাল ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বল হাতেও ২০১৪-১৫ মৌসুমে সফল ছিলেন নড়াইল এক্সপ্রেস। ১৬ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি।
এর আগে বছরের শুরুতে উইজডেন ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হলেন মাশরাফি। আর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে নিয়োগ পেলেন টাইগার অধিনায়ক। সাকিব ছাড়া বাংলাদেশ থেকে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন জাদু শিল্পী জুয়েল আইচ ও অভিনেত্রী মৌসুমী।
জাতিসংঘ থেকে তার সদস্যভুক্ত দেশগুলো থেকে কিছু শুভেচ্ছা দূত নিয়োগ করে থাকে। মূলত কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য, উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্যই শুভেচ্ছা দূত নিয়োগ করা হয়। বিশ্বের যেকোনো শীর্ষস্থানীয় নেতা, খেলোয়াড়, চলচ্চিত্র তারকাসহ আরো নানান পেশাজীবীদের এ পদে নিয়োগ করা হয়।






