ইউক্রেনে বাংলাদেশী জাহাজে মিসাইল হামলায় ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান আরিফের নিহতের ঘটনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন অন্যরা।
একদিকে প্রচণ্ড ঠান্ডা, অন্যদিকে আবারও রকেট হামলার আশংকা, বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে ইউক্রেনের মাঝ সমুদ্রে আটকে থাকা জাহাজের ২৯ জন নাবিক। তারা বলছেন, জাহাজে হামলা হতে পারে এই আশংকার কথা তিনদিন আগেই বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনকে জানানোর পরও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রাণ হারাতে হলো হাদিসকে।
অনিশ্চয়তা আর আশঙ্কাকে সঙ্গী করে দিন কাটছে নাবিকদের। চতুরদিকে মাইন পোতা, চলছে হামলা; এই যুদ্ধে ইউক্রেনের মাঝ সমুদ্রে আটকে আছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশেনের ২৯ সদস্য নিয়ে জাহাজ বাংলার সমৃদ্ধি।
গতকাল বুধবার বিকেলে মিসাইল হামলায় নিহত হয়েছে জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার বরগুনার হাদিসুর। জাহাজে অবস্থানরত বাকিরা বলছেন: শেলিং হবার কথা তিনদিন আগে থেকে তারা শিপিং কর্পোরেশনকে জানানো হয়েছিলো অথচ এখনও আলোচনা চলছে।
জাহাজের নাবিকরা বলছেন: যতদ্রুত সম্ভব পোর্ট অথরিটির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্ধারকারী বোট পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। আমরা এখান থেকে ল্যান্ডে যেতে চাই, বাঁচতে চাই। অন্যরা যারা ছিলো তারা সবাই চলে গেছে। কিন্তু আমরা এখনও এখানে বসে আছি। দয়া করে আমাদের জন্য কিছু করেন।
মাঝ সমুদ্রে আটকে পড়া নাবিকদের একটাই আবেদন যত দ্রুত পারে শিপিং কর্পোরেশন স্থানীয় বন্দরকে বলে দিলে রেসকিউ বোর্ড তাদের উদ্ধার করে বাংকারে নিয়ে যাবে। শেল নিক্ষেপে নিহত হাদিসুরের মরদেহ আপাতত ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়েছে।







