প্রীতি ম্যাচে বহুবার দেখা হয়েছে ইংল্যান্ড-সুইডেনের। গোলের পর গোল হয়েছে। কিন্তু বিশ্বকাপে? বিশ্বসেরার মঞ্চে নামলেই যেন ম্যাচ জিততে ভুলে যায় এ দুদল। আগের দুই দেখায় একটি ম্যাচেও জয় পায়নি ইংলিশ-সুইডিশরা।
তবে শনিবার ড্র নিয়ে ফেরার সুযোগ থাকছে না ইংল্যান্ড-সুইডেনের সামনে। কারণ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট স্টেজে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুদল। অর্থাৎ, বিদায় নিতে হবে যেকোনো এক দলকে।
সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ের আগে পরিসংখ্যান-ইতিহাস কার কী বলছে দেখে নেয়া যাক-
>দুই দলের মোট ২৪ দেখায় ৮ জয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড। এক ম্যাচ কমে সুইডেনের জয় সংখ্যা ৭। বাকি ৯ ম্যাচ দেখেনি কোনো ফল।
>বিশ্বকাপে কেবলমাত্র দুবার দেখা হয়েছে ইংল্যান্ড-সুইডেনের। ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপে। তবে এ দুই দেখায় ফল দেখেনি কোনো দলই। অর্থাৎ, দুই ম্যাচই হয়েছে ড্র!
>বিশ্বকাপের শেষ ৬ ম্যাচের ৫টিতে গোল খায়নি সুইডেন।
>বিশ্বকাপের শেষ ১৫ ম্যাচের ১৪টিতেই অপরাজিত ইংল্যান্ড।
>ইংলিশদের বিপক্ষে নিজেদের মাটিতে শেষ তিন ম্যাচে গড়ে ২.৫টি করে গোল আছে সুইডিশদের। এই তিন ম্যাচের প্রতিটিতেই কমপক্ষে ২টি করে গোল করেছে দলটি।
>ছাড় দেয়নি ইংল্যান্ডও। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেকোনো প্রতিযোগিতায় শেষ তিন ম্যাচে অন্তত দুটি করে গোল সুইডেনের জালে পুড়েছে ইংলিশরা।
>২০১২ সালে সবশেষ দেখা হয়েছিল এ দুই দলের। জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের চার গোলে ইংলিশদের ৪-২ গোলে হারিয়েছিল সুইডেন।
>যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক আসরে সুইডেনের বিপক্ষে ৯ দেখায় কেবল একবারই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। সেটি ২০১২ ইউরোতে। সুইডিশদের জয় দুটিতে। বাকি ছয় ম্যাচ হয়েছে ড্র।
>গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মিকায়েল লাসটিজকে পাচ্ছে না সুইডেন। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে লাল কার্ডে কাটা পড়েছেন সুইডিশ ডিফেন্ডার।
>কলম্বিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে পায়ে ইনজেকশন নিয়ে খেলতে হয়েছে জেমি ভার্ডিকে। লেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড চোটের কারণে অনিশ্চিত সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে।
>অ্যাশলি ইয়ং, ডেলে আলি, কাইলি ওয়াকার, জর্ডান হ্যান্ডারসন, জেসে লিনগার্ডের নামের পাশে হলুদ কার্ড। তাই চিন্তায় ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। অন্যদিকে জিমি দুরমাজ ও অ্যালবিন একডাল নিয়ে একই সমস্যায় সুইডেন।








