৬২ বছরের খরা কাটানোর মিশনে এগিয়ে যেতে মঙ্গলবার রাত ১২টায় মাঠে নামছে ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। যাদের সঙ্গে ইংলিশদের বিশ্বকাপে দেখাই হয়েছে একবার।
চার বছর আগের বিশ্বকাপের দুর্দান্ত ফর্ম রাশিয়াতেও টেনে এনেছে কলম্বিয়া। পিছিয়ে নেই ইংল্যান্ডও। কিন্তু কেবল একদলই পাবে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার টিকিট।
কার পক্ষে ইতিহাস? পরিসংখ্যান-অবস্থাই বা কথা বলছে কার পক্ষে? দেখে নেয়া যাক-
>মোট পাঁচবার কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলেছে ইংলিশরা। কখনোই হারেনি। তিন জয়ের সঙ্গে দুই ম্যাচে ড্র।
>বিশ্বকাপে একবারই কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়েছে ইংল্যান্ড। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। সেবার ২-০ গোলে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা।
>২০০৫ সালের পর আর মুখোমুখি হয়নি এই দুটি দল। সেই প্রীতি ম্যাচে ৩-২ গোলে জয় পায় ইংল্যান্ড।
>গ্রুপ ‘জি’ থেকে রানার্সআপ হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে ফেভারিট ইংল্যান্ড। আর গ্রুপ ‘এইচ’ সেরা কলম্বিয়া।
>তিন ম্যাচে ইংল্যান্ড গোল করেছে ৮টি। হজম করেছে ৩টি।
>গ্রুপপর্বে কলম্বিয়া গোল করেছে পাঁচটি। প্রতিপক্ষ তাদের জালে বল জড়িয়েছে দুবার।
>ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হামেস রদ্রিগেজকে নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় কলম্বিয়া শিবির। চোটের কারণে সেনেগালের বিপক্ষে ৩১ মিনিট খেলেই উঠে গিয়েছিলেন এ বায়ার্ন মিউনিখ তারকা। হামেসের মতো ডিফেন্ডার জন স্টোনসকে নিয়ে চিন্তায় ইংলিশ দল।
>কলম্বিয়ার রদ্রিগেজ, ব্যারিওস ও ইয়োহান মোহিকা আছেন হলুদ কার্ড নিয়ে বিপদে। কাইল ওয়াকার ও রুবেন লোফতাস-চিককে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেট।
>এই বিশ্বকাপে গড়ে ম্যাচ প্রতি ২.৬৭টি করে গোল করেছে ইংল্যান্ড। কলম্বিয়ার গোল সেখানে ১.৬৭টি।
>কলম্বিয়ার জন্য বিপদের কারণ হতে পারেন হ্যারি কেন। ইংলিশ অধিনায়ক এখন পর্যন্ত এ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলসংগ্রাহক। গোল ৫টি।
>ইংলিশদের ভোগাতে পারেন মিডফিল্ডার হুয়ান ফার্নান্দো কুয়েন্টেরো। হামেস রদ্রিগেজের অভাব তাকে দিয়েই মেটাতে চান কলম্বিয়া কোচ হোসে পেকারম্যান।








