বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়ার সব শঙ্কাকে পেছনে ফেলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে
গড়িয়েছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের ওয়ানডে সিরিজের অঘোষিত ফাইনাল তৃতীয়
ওয়ানডে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে
নেমে মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য ৬৭ রানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ছয় উইকেটে ২৭৭ রান
করেছে বাংলাদেশ।
দুরন্ত শুরুর পরও স্পিনার আদিল রশীদের ঘূর্ণিতে যখন ১৯২ রানে ছয় উইকেট নেই টাইগারদের, তখনই দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভাব হয় সম্প্রতি সময়ে অফ ফর্মে থাকা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তরুণ মোসাদ্দেককে নিয়ে গড়েন অপরাজিত ৮৫ রানের জুটি। তাদের কল্যাণেই ইংলিশদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিতে পেরেছে টাইগাররা।
মুশফিক ৬২ বলে চারটি চার ও একটি ছয়ে করেন ৬৭ রান অপরদিকে তরুণ মোসাদ্দেক করেন ৩৮ রান।
তবে শুরুর গল্পটা ছিল অন্যরকম, টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংলিশদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৮০ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।স্টোকসের বলে লেগ সাইডে খেলতে যেয়ে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৫৮ বলে ৪৬ রান করেন বাঁহাতি ইমরুল কায়েস।
এরআগে ইংলিশদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি ছিল ৬৩ রানের। ২০১০ সালে সেই জুটিটিও ছিল ইমরুল-তামিমেরই।
পরে ব্যক্তিগত ৩৮ রানে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পাঁচ হাজার ওয়ানডে রানের মাইলফলক ছোঁয়া তামিম ইকবাল ফিরেছেন ৪৫ রানে। রশিদের বলে ভিন্সের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে নিজের ইনিংসটি ৫ চারে ৬৮ বলে সাজিয়েছেন তিনি।
দলীয় ১০৬ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর স্পিনার রশিদের বলেই বেয়ারস্টোকে ক্যাচ দিয়ে দ্রুত প্যাভিলনে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৬)।
এরপর হাল ধরেন সাব্বির ও মুশফিক। মুশফিকের সঙ্গে ৫৪ রানের জুটি গড়ে ফিফটি থেকে এক রান দূরে ফিরে গেছেন সাব্বির রহমান। ৪৯ রানের ইনিংসটি ৫ চারে ৪৬ বলে খেলেছেন এই ডানহাতি মারকুটে ব্যাটসম্যান।
পরে মঈনের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান (৪)। দ্রুত তার পথে হেঁটেছেন নাসির হোসেন (৪)।








