আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তানের জোর দাবি ছিল। সঙ্গে যোগ হয়েছিল নতুন টেস্ট সদস্য বাড়ানোর চাপ। দুই দুইয়ে চার মিলিয়ে বৃহস্পতিবার শিকে ছিঁড়তে পারে এই দুই দলের। দুবাইয়ে আইসিসির সাধারণ সভার সম্মতি মিললেই একাদশ এবং দ্বাদশ দল হিসেবে টেস্ট মর্যাদা পাবে আয়ারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান।
সবশেষ ২০০০ সালে দশম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে টেস্ট মর্যাদা দেয়ার পর আইসিসি টেস্টের স্বীকৃতি দেয়নি আর কোনও দেশকে। সহযোগী দেশের মর্যাদা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিয়মিতই ভালো খেলেছে এই দুটি দেশ।
যুদ্ধ-বিগ্রহে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম চমকের নাম। ২০১৫ বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার পাশাপাশি পরের বছর টু-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও চমকে দিয়েছিল দেশটি। দলটির কাছে হার দেখেছে সেই আসরের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজও।
আর আয়ারল্যান্ড তো ২০০৭ বিশ্বকাপেই সুপার এইটে খেলেছে। সেই আসরে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে হারিয়ে চমক দেয়া শুরু আইরিশদের।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কোনও দেশকে টেস্ট সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হলে সবগুলো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের ভোটের প্রয়োজন হবে দেশ দুটির। যদি সব দেশ সম্মত হয় তাহলে বৃহস্পতিবারই ক্রিকেটের অভিজাত দলগুলোর কাতারে নাম লেখাবে আয়ারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান।







