দেবীগঞ্জ টাউনহলের কাছে যখন বাস থেকে নামলাম তখন ভোর পাঁচটা। সূর্য উঠতে ঢের বাকি। একটা পৌর শহরের জেগে ওঠার মত সময় হয়ত সেটা না, কিন্তু আমার ধারণা নাকচ করে দিয়ে এখানে প্রাণ চাঞ্চল্য শুরু হয়ে গিয়েছে আরো আগেই। আরো কত ধারণা যে ভুল প্রমাণিত হবে সারাদিনে তখনো তা জানতে বাকি ছিল। চোখ যা খুঁজছিল নিমিষেই তার দেখা মিলল। টাউন হলের উত্তর দেয়ালে সাঁটানো বিলবোর্ড ‘আহত ফুলের গল্প’। ছুটে গেলাম সেখানে। বন্ধ টিকেট কাউন্টারের জানালার ওপর সিনেমা প্রদর্শণীর সময় সূচী আর টিকেটের মূল্য তালিকা টাঙানো। কাউন্টারের সামনে দাঁড়ানোর জায়গাটার মরে যাওয়া ঘাস দেখে লোকসমাগমের একটা ইংগিত পাওয়া গেল। পাশের মিষ্টি পানের দোকানীরা আরো আগেই ডালায় সাজাতে শুরু করেছেন ঐতিহ্যবাহী লোভনীয় মিষ্টি পান। তাদের কাছে জানলাম এলাকার ‘চ্যাংড়া’ অন্ত আজাদের এই সিনেমা চলতে শুরু করার পর তাদের বিক্রি বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। আশেপাশের অন্যান্য দোকানীদেরও একই মত।
একসময়ের দেবীগঞ্জের একমাত্র সিনেমা হল ‘আমার টকিজ’ বন্ধ হয়ে গেলে পরিত্যক্ত এই দালানটিকে দেবীগঞ্জ পাবলিক ক্লাব ‘টাউন হল’ নাম দিয়ে অনিয়মিতভাবে চালাতে থাকে অডিটোরিয়াম হিসেবে। কিন্তু সেটির অবস্থা হয়ে গিয়েছিল নাজুক। ১৯৩০ সালে গড়ে ওঠা এই জরাজীর্ণ মিলনায়তনকে ব্যবহার উপযোগী করে সেখানে নিজ উদ্যোগে নিজের প্রথম চলচ্চিত্র ঈদের ছবি হিসেবে মুক্তি দিয়েছেন স্বাধীন ধারার তরুণ চলচ্চিত্রকার অন্ত আজাদ। পত্রিকার এক কোণে ঠাঁই করে নেয়া স্রেফ এই খবরটাই আমাকে বাধ্য করল ঈদের ছুটি মাটি করে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের বাস ধরতে। অন্ত আজাদকে চিনতাম না, আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও সিনেমাকার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র নির্মাতা যুবরাজ শামীম তার সাথে যোগাযোগ করে ফেলল। আমরা দু’জন রওয়ানা হলাম সিনেমাকারের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানাতে।

অন্ত আজাদের বাড়ি ঠিক পৌর শহরে না, প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মাটিয়া পাড়ায়। একটা অসময়ে কীভাবে সেখানে যাব তাই নিয়ে একটা দ্বিধা ছিল। বহুবছর আগে সিনেমার স্বপ্ন চোখে নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমানো এই যুবক এলাকায় প্রায় বিস্মৃত হয়ে গেলেও এখন সে আবার সবার অতি পরিচিত। ‘আহত ফুলের গল্প’ তাকে নতুন জন্ম দিয়েছে। যেমন সে এই থানা শহরে পূণর্জন্ম দিয়েছে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার ভুলতে বসা সংস্কৃতিকে। তাই তার বাড়ির রাস্তা দেখানোর মত মানুষ পাওয়া কঠিন হলো না এই সাত সকালেও। ধারণা ছিল আর সবার মতো নিজের এলাকায় ডাক নামের বাইরে পোষাকি নামে কেউ তাঁকে চিনবেন না। কিন্তু সব ধারণা ভাঙতেই যেন দেবীগঞ্জে আসা। ব্যাটারি চালিত অটো রিকশায় মৌমারি বাজার থেকে মাটিয়াপাড়া তাঁর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে যে কয়জনকে পথ জিজ্ঞেস করেছি সবাই এক নামে চিনেছেন অন্ত আজাদকে। বাড়ির কাছে পৌঁছে দেখি বিয়েবাড়ির গেট আর প্যান্ডেলের আয়োজন চলছে, আবারো দ্বিধায় পড়লাম। এখান অবধি আসাটা বোধ হয় ঠিক হলো না। পরে বুঝেছি আসাটা অবশ্যই ঠিক হয়েছে না হলে জানাই হতো না অন্ত আজাদের নিজের স্বপ্নের পেছনে ছোটার সাহস আর শক্তির উৎস।
পরিচিত হলাম অন্ত আজাদের সাথে। উদ্দীপনায় টগবগ করছেন। ভীষণ ব্যস্ত। ভালো করে পরিচিত হবারও সময় দিতে পারছেন না বলে বারবার দুঃখ প্রকাশ করলেন। প্রচারণার জন্য ব্যান্ডপার্টি ও মাইকিংয়ের যোগাড়-যন্ত্র করতে নিজেই ছুটছেন এই ভোরবেলায়। প্রথম শো শুরুর আগে গোটা এলাকায় এক প্রস্থ মাইকিং করে ফেলতে বায়না করে ফেলেছেন দেবীগঞ্জে সিনেমার মাইকিংয়ে ৩০ বছরের অভিজ্ঞ কালামকে। তার লাইভ পারফর্মেন্সে মুগ্ধ হয়ে দর্শক নাকি হলে না এসে পারে না। এর আগে এলাকার ডিশ চ্যানেলে লাগাতার চলেছে সিনেমার ট্রেলার। তবে রেকর্ডেড মাইকিং লোকজনকে কম টেনেছে বলে প্রচারণার কৌশল বদলের এই পরিকল্পনা।
শো-এর আগে টিকেট কাউন্টারে কথা হবে বলে আমাদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করে বেরিয়ে পড়লেন অন্ত আজাদ। কথা হলো তার ছোট ভাই, মা আর বাবার সাথে। গোটা পরিবারই জড়িয়ে আছে অন্ত আজাদের এই মিশনে। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক একসময় মগ্ন ছিলেন যাত্রা আর মঞ্চ নাটকে। তাই পরিবারে ইতিবাচক পরিবেশটা অন্ত আজাদ পেয়েছেন আগা গোড়াই। এই ছবিতে অর্থ লগ্নির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন বাবা-মা দুজনেই। ছোট ভাই ভালুকায় একটা চাকরি করেন বটে কিন্তু তারও মন পড়ে থাকে অভিনয়ে। আর এখন তো পুরো সময়টাই দিচ্ছেন ভাইয়ের ছবির প্রচার প্রচারণায়। সিনেমার শুটিং হয়েছিল নিজের বাড়ি এবং আশেপাশের এলাকায় তাই শুরু থেকেই হাসিমুখে সকল ঝক্কি সয়েছেন বাড়ির সবাই।
এলাকার মানুষজনও সবসময় বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায়তার হাত। এমনকি ৪০ জনের শুটিং ইউনিটের খাবারের জোগান দিতে গিয়ে নিজেদের পুকুরের মাছ শেষ করে ফেলার পর প্রতিবেশীরা তাদের জন্য মাছ নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশের কয়জন স্বাধীন আর অখ্যাত চিত্র নির্মাতার কপালে এমন সুহৃদ জোটে? বরং সিনেমায় নামা ছেলেটাকে কুলাঙ্গার ভাবতেই অভ্যস্ত আমাদের পরিবারগুলো। বাড়িতে তাঁর চাচাত ছোট বোনের বিয়ের আয়োজন চলছে আর বড় ভাই অন্ত আজাদ দায়িত্বহীনের মত তার কোন খোঁজও নিচ্ছেন না, এ নিয়ে কারো কিন্তু খেদ নেই। তারা জানে অন্ত যে কাজে ব্যস্ত সেটাও অনেকই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কোরবানির ঈদের কোন আয়োজনেই তিনি পরিবারকে সময় দিতে পারেননি, ব্যস্ত ছিলেন নিজের ছবির প্রদর্শনীর যোগাড়যন্ত্রে। বরং পরিবারই নিজেদের অন্য কাজ সংক্ষিপ্ত করে তার পাশে থেকেছেন। কারণ তারা জানেন সিনেমার ঘোরে পাওয়া ছেলেটা নিজের সর্বস্ব দিয়ে যা করছে তা ইতিহাস হয়ে যাচ্ছে অচিরেই।

কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে বেলা ১১টার দিকে টাউন হলে যাওয়ার পথে করতোয়া সেতুর কাছাকাছি চোখে পড়ল ‘আহত ফুলের গল্প’ ব্যানারে সজ্জিত একটা পিকআপ ভ্যানে ব্যান্ডপার্টি বাজনা বাজাচ্ছে আর মাইকিং ম্যান মালেক আঞ্চলিক ভাষায় ছন্দ কেটে কেটে ছবির বর্ণনা দিচ্ছেন। তাদের ঘিরে আছে নানা বয়সী মানুষ। মালেকের পুরো বর্ণনা শেষ হচ্ছে ‘মাটিয়াপাড়ার চ্যাংড়া বন্ধু পাগল করিল’ দিয়ে। দৃশ্যটা আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল আমার শৈশব- কৈশোরে। গত বিশ-পঁচিশ বছরে আমি সিনেমার এত উচ্ছ্বাসপূর্ণ প্রচারণা দেখেছি বলে মনে করতে পারলাম না।
টাউন হলের কাছে পৌঁছাতেই মাইকে দিনের প্রথম শো-এর জন্য দর্শকদের আমন্ত্রণ জানাতে শুনলাম তার ফাঁকে ফাঁকে বাজছে সিনেমার একটি গান। মাইকে অ্যানাউন্সারের গলার স্বর পরিচিত লাগল। কাউন্টারের সামনে গিয়ে আমার চক্ষু চড়ক গাছ। কাউন্টারে টিকেট বিক্রি করতে বসে গেছেন স্বয়ং নির্মাতা অন্ত আজাদ। টিকেটের দাম নিয়ে দরকষাকষি করা দর্শককে বোঝাচ্ছেন আবার এর ফাঁকে ফাঁকেই কমেন্ট্রি করছেন পরবর্তী দর্শক টানার জন্য। আমরা যারা কোন রকমে নিজেদের নামের আগে নির্মাতা বা পরিচালক তকমা লাগাতে পারলেই দম্ভে আকাশে উড়তে থাকি অন্ত আজাদের কাছ থেকে তাদের শেখা উচিৎ কীভাবে মাটিতে পা রাখতে হয়, শেখা উচিৎ কীভাবে নিজের সন্তানকে লালন করতে হয়। ঢাকা থেকে ছবি দেখতে এসেছি বলে টিকেট কেটে ছবি দেখব এমনটা ভাবিনি, কিন্ত অন্ত আজাদের এই নিষ্ঠা আমাদের বাধ্য করল টিকেটের লাইনে দাঁড়াতে। অন্ত কিছুতেই টাকা রাখবেন না তাই অনেকটা জোর করেই দু’টো টিকেটের দাম দিলাম, তার এই লড়াইয়ে সংহতি জানানোর আমাদের অক্ষম প্রয়াস।
১২টার শো দেখতে বসলাম। আমি আলোচনায় আসা কোন ছবি হলে বসে দেখার জন্য এই সময়টাই বেছে নেই, কারণ এই শোতে দর্শক থাকে হাতে গোণা। কিন্তু এখানে আমাদের জন্য সংরক্ষিত আসনে পৌঁছাতেও বেগ পেতে হলো দর্শকের চাপে। দর্শকেরা হল বিমুখ হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো আছে তার প্রায় সবগুলোকেই নিজের সামর্থের মধ্যে সমাধান করেছেন অন্ত আজাদ। জরাজীর্ণ এই মিলনায়তনকে সাফ-সুতরা করেছেন, ছাড়পোকার কামড় খেতে হয় না এমন চেয়ারের ব্যাবস্থা করেছেন, টয়লেটগুলো ব্যবহারযোগ্য করেছেন, মহিলাদের জন্য স্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করেছেন, গরম কমাতে অতিরিক্ত স্ট্যান্ড ফ্যান বসিয়েছেন, ঘামের গন্ধ দূর করতে নিয়মিত বিরতিতে এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করার লোক রেখেছেন আর সিনেপ্লেক্স কোয়ালিটি না হলেও যথেষ্ট ঝকঝকে প্রোজেকশন আর গ্রহণযোগ্য সাউন্ড নিশ্চিত করেছেন।
একটা থানা শহরের দর্শকদের কাছে এটা রীতিমত হাইফাই আয়োজন, এই পরিবেশে তারা কখনো সিনেমা দেখেননি। দর্শকের তালিকায় শিশু-কিশোর-যুবক-বৃদ্ধ কে নেই? মহিলা দর্শকের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো। সপরিবারে আসা দর্শকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। সিনেমার টানে তো বটেই, অনেকেই একাধিকবার ছবি দেখতে এসেছেন এই পরিবেশে ছবি দেখার টানে। আমার খুব কষ্ট লাগছিল, এই সামান্য স্বস্তিকর পরিবেশও আমরা দিতে পারছিনা এখন পর্যন্ত টিকে থাকা বেশিরভাগ সিনেমা হলগুলোতেই। এই পরিবেশ নিশ্চিত করতে কি কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা লাগে? লাগে যে না, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন এই সিনেমার ফেরিওয়ালা। একটু সদিচ্ছা আর দর্শকের প্রতি মমত্ববোধই আবার দর্শককে ফিরিয়ে আনতে পারে সিনেমা হলে। আবার তৈরি হতে পারে সুস্থ সিনেমার টেকসই বাজার। তা না হলে কেন এই কোন রকম তারকাবিহীন আর অখ্যাত এক পরিচালকের তৈরি প্রথম সিনেমা দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়বে দর্শক?
অন্ত আজাদ সাহসী, সে কারণে সে তার ছবি নিয়ে বাংলাদেশী সিনেমার ভাগ্য বিধাতা চক্রের কাছে ধর্ণা দেননি। নিজেই নিজের ভাগ্য গড়তে চেয়েছেন। আর ভাগ্য যে সাহসীদেরই অনুসরণ করে তা আরেকবার দেখলাম। স্বাধীন নির্মাতারা নিজের গল্প বলার জন্য প্রযোজক পান না, আপোস যারা করেন না তারা নিজেদের এবং কাছের মানুষদের জীবন অতিষ্ঠ করে কোনক্রমে ছবির নির্মাণ কাজ যদিও বা শেষ করতে পারেন, তারপর পড়েন সেন্সরের জালে। যাদের দম আরেকটু বেশী তারা এই জাল ছাড়াতে পারলেও আটকে যান হল মালিক আর পরিবেশকদের জটিলতায়। হতাশ হয়ে বেশিরভাগ নির্মাতাই রণে ভঙ্গ দেন আর কিছুটা কূটনৈতিক দক্ষতাসম্পন্নরা কোন টিভি চ্যানেলের কাছে ছবি বিক্রি করে পাওনাদারের অভিশাপমুক্ত হতে চান। চ্যানেলগুলো ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের নাম করে বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে ছবির খণ্ডাংশ দেখিয়ে নির্মাতাকে দেয়া টাকার কয়েকগুণ মুনাফা নিশ্চিত করতে পারলেই খুশি। কোন ছবি সম্ভাবনাময় মনে হলে পুরস্কারের মনোনয়নের ক্রাইটেরিয়া হিসাবে দুই একটা সিনেমা হলে দুই একদিনের জন্য প্রদর্শন করে ছবিটাকে আবার তুলে রাখা হয় চ্যানেলের সুরক্ষিত ভল্টে। এটাই আমাদের তথাকথিত মূল ধারার বাইরের চলচ্চিত্রগুলোর জীবনচক্র।

নির্মাতাদের নিজের আবেগ আর শ্রম-ঘামে নির্মিত ছবি আর আর সেই সাধারণ দর্শক পর্যন্ত পৌঁছে না যাদের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করা। অন্ত আজাদ সেই চক্র ভাঙার চেষ্টা করছেন। প্রয়াত তারেক মাসুদ প্রথম এই দেশে নিজের ফিল্ম ফেরি করে বেড়িয়েছেন। রাস্তাটা দেখিয়েছেন বটে কিন্তু সহযাত্রী তৈরি করার আয়ু পাননি। আমি নিজেও এই সংগ্রামে বিশ্বাসী, সুযোগ পেলেই বিভিন্ন ফোরামে এই তরিকার অনুসারী বাড়ানোর প্রয়াস নেই। কিন্ত ওই পর্যন্তই। কথার পরিবর্তে কাজে দেখিয়ে দেওয়ার মুরোদ এখন পর্যন্ত হয়নি আমার। আর এই হীনমন্যতা কাটানোর জন্যই এত দূর থেকে পঞ্চগড় ছুটে আসা।
প্রচারণার নতুন কৌশল কাজে দিয়েছে। পরের শো গুলোতে দর্শক সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা। একাই সবকিছু করতে হচ্ছে বলে অন্ত আজাদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার সুযোগ হলো না। আমাদেরও দেবীগঞ্জে থেকে যাবার মত যথেষ্ঠ সময় হাতে নেই। তার চেয়ে সে তার কাজ করুক, আড্ডা দেয়ার অনেক উপলক্ষ্য পাওয়া যাবে ভবিষ্যতে।
সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে। আমরা ফিরতি বাসের টিকেট কাটতে যাচ্ছি। তখনো মালেক মাইকিং করেই যাচ্ছে, ‘মাটিয়াপাড়ার চ্যাংড়া বন্ধু পাগল করিল’।
লেখক: চলচ্চিত্র নির্মাতা








