আসামের এনআরসি (ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস) তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন মানুষের ভবিষ্যৎ কী? তারা এখন বিকল্প কী করতে পারবেন?
নাগরিক তালিকা প্রকাশের পর এসব প্রশ্ন ঘুরলেও আসাম সরকার গত বছর খসড়া তালিকার পর একটা বিবৃতি দিয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, তালিকা থেকে বাদ দেয়া হলেও এনআরসি ভুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের আসাম সরকার সকল ধরনের আইনী সহয়তা দিয়ে সাহায্য করবে।
তবে কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য আগেই বলেছে, যাদের নাম আসামের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকায় স্থান পায়নি সে সমস্ত ব্যক্তিদের জন্য আইনি বিকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদেশি বলে গণ্য করা হবে না।
এমন প্রেক্ষাপটে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিরা আপিলের জন্য ৬০ থেকে ১২০ দিন সময় পাবেন। আপিল আবেদনের শুনানির জন্য রাজ্যে কমপক্ষে ১ হাজার ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে।
এরই মধ্যে অবশ্য ১০০ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। আরও ২০০টি ট্রাইব্যুনাল সেপ্টম্বরের প্রথম সপ্তাহে মধ্যে গঠন করা হবে। ট্রাইব্যুনালে হেরে গেলে যে কেউ উচ্চ আদালতে যেতে পারবেন।
সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বন্দিশিবিরে নেয়া হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আসাম সরকার।
শনিবার তালিকায় ১৯ লাখের বেশি ব্যক্তি বাদ পড়ার তালিকায় আসলেও চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই হয়েছে ৩ কোটি ১১ লাখ ব্যক্তির।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১৯৫১ সালে আসামে প্রথম প্রকাশিত হয় এনআরসি তালিকা। উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসারে আসামে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে যারা আলাদাভাবে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসামে প্রবেশ করেছে তাদের আলাদা করা হয়েছে।







