ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ২ শতাধিক বয়লার ও রাইস মিলে কাজ করা শ্রমিকদের বেশিরভাগই নারী। এ কাজে নারীরা পুরুষদের তুলনায় দক্ষ হলেও কম মজুরি দেয়া হয় তাদের।
সড়ক, রেল ও নৌ পথে যোগাযোগের সুবিধা থাকায় মেঘনা পাড়ের আশুগঞ্জে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ২’শর বেশি বয়লার ও রাইস মিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশিরভাগ রাইস মিলই আশুগঞ্জে। সকাল থেকেই কাজ শুরু হয় শ্রমিকদের।
সকাল-সন্ধ্যা টানা কাজ করেও মজুরি নিয়ে খুশী নন নারী শ্রমিকরা।
স্থানীয় নারী শ্রমিকরা বলেন, সকাল থেকে এখানে কাজ করে তারা। একানে কাজ করার একটি সুবিধা হল তাদের চাল কিনতে হয়না। তাছাড়া আর কোন সুবিধা তারা পায়না।
তারা আরো বলেন, গরীব মানেুষ বলে এত কম পারিশ্রমিক এ তাদের এই কাজ করতে হয়। ঠিকভাবে দুইবেলা খেতেও পারেনা এই কম টাকায়।
সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেও দিন ২৫ থেকে ৩০ টাকা মজুরি পায় নারী শ্রমিকরা।
পুরুষ শ্রমিকরাও নারী শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারে।
তারা বলেন, ধান শুকাতে মহিলা শ্রমিক বেশি প্রয়োজন হয়।
নারীশ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন বয়লার মালিকরাও।
বয়লার মালিকরা জানান, নারীরা যে পরিমাণ পরিশ্রম করছে সেই পরিমাণ পারিশ্রমিক তারা পায়না। ব্যাংক থেকে চড়া সুদ নিয়ে তারা ব্যবসা করে। অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই।
ভালো মজুরি পেলে এই পেশায় আসতে পারে আরো বেশি নারী শ্রমিক। জীবন ধারনের জন্য এইযে নারীদের কর্মমুখরতা তার গুরুত্বও কম নয়। উন্নয়নে সঙ্গে নারী শ্রমিকদের এই সম্পৃক্ততা তা একদিন এগিয়ে নিয়ে যাবে নারী শ্রমিকদের।






