দুবাই টেস্টে একটা রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তির সামনে দাঁড়িয়েও শঙ্কায় ছিল পাকিস্তান। সেই আশঙ্কা সত্যি করে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশই হল তারা। আসাদ শফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পরও ৬৮ রানে হেরেছে সরফরাজ আহমেদের দল।
শেষদিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১১৯ রান। শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেট। তাতে প্রথম ঘণ্টাতেই সফল লঙ্কানরা। পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ২৪৮ রানে। আগের টেস্টেও মাত্র ১৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২১ রানে হেরেছিল দলটি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থদিনের শেষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ১৯৮। দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ৮৬ রানে অপরাজিত থাকা আসাদ শফিক ও ৫৭ রান নিয়ে থাকা অধিনায়ক সরফরাজ। কিন্তু পঞ্চম দিনে ১১ রান যোগ করেই সাজঘরে ফেরেন সরফরাজ (৬৮)। আর তাতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।
পরে আসাদ শফিক সেঞ্চুরি (১১২) তুলে নিলেও সেটা পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া কাজে আসেনি। অধিনায়ক ফেরার পর শফিককে সঙ্গ দিতে পারেননি পাকিস্তানের নিচের দিকের কোনও ব্যাটসম্যানই।
৩১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে পাকিস্তানের ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৫২ রানে। সেখান থেকে দলকে টেনে নিচ্ছিলেন শফিক–সরফরাজ। তবে কাজের কাজটি শেষ কর যেতে পারেননি তারা।
শ্রীলঙ্কার দিলরুয়ান পেরেরা ৫ উইকেট নিয়েছেন। হেরাথ নেন দুটি উইকেট।
চতুর্থদিন অবশ্য পাকিস্তানি বোলারদের দাপটে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়ে যায় মাত্র ৯৬ রানেই। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ৪৮২। জবাবে পাকিস্তান থামে ২৬২ রানে।
দিবা-রাত্রির টেস্টটি জিতে পাকিস্তানকে টেবিলের সাতে নামিয়ে আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে উঠে গেল শ্রীলঙ্কা। আর ২০০০ সালের পর দেশের বাইরে প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতল লঙ্কানরা।








