ইউরোপিয়ান ফুটবল ক্লাবগুলোর স্বচ্ছলতা, স্থিতিশীলতা এবং খরচ নিয়ন্ত্রণের জন্য লাইসেন্সিং বিধান অনুমোদন করেছে উয়েফা। আর্থিক ফেয়ার প্লের পরবর্তি নিয়মে ক্লাবগুলি বড় ক্ষতির মুখ দেখতে পারে। একই সাথে বেতন এবং ট্রান্সফার ফিতে খরচও কমবে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের নিয়নে আর্থিক ফেয়ার প্লের নিয়মগুলি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের গভর্নিং বডি। আসছে মৌসুম থেকে চালু হতে যাওয়া নিয়ম মহাদেশটির ক্লাবগুলির ঋণ কমাতে সহায়তা করবে।
২০২২ সালে জুনে কার্যকর হওয়া নিয়মে বেতন, ট্রান্সফার ফি ও এজেন্ট ফির ব্যয়কে ক্লাবের আয় করা অর্থের ৭০% খরচ করতে হবে। সিদ্ধা্ন্তটি তিন বছরের পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে যাবে এবং ধীরে ধীরে প্রয়োগ করা হবে যাতে ক্লাবগুলির মানিয়ে নিতে পারে।
নতুন নিয়মে ক্লাবগুলিকে আগের চেয়ে (৩০ মিলিয়ন ইউরো) তিন বছরে ৬০ মিলিয়ন ইউরো লোকসানের রিপোর্ট করার অনুমতি দেবে উয়েফা। অনুমোদিত পরিসংখ্যান এমনকি ‘ভাল আর্থিক স্বাস্থ্যে’ একটি ক্লাবের জন্য ৯০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত পৌঁছাতে দিবে।
উয়েফা ক্লাবগুলির উপর আর্থিক ফেয়ার প্লে রেগুলেশনগুলি প্রতিষ্ঠিত করেছিল যাতে পেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলি তাদের উপার্জনের চেয়ে বেশি ব্যয় না করে। যাতে দলগুলো আর্থিক সমস্যায় না পড়ে এবং দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে। সে লক্ষ্যে আরেকধাপ এগোতে ‘স্কোয়াড খরচের নিয়ম’ প্রবর্তন করেছে সংস্থাটি।
ম্যানচেস্টার সিটি ও প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের মতো রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত পরাশক্তিগুলোর দুহাতে টাকা ঢালার প্রেক্ষিতে আর্থিক ফেয়ার প্লের বিষয়টি সামনে আসে। নতুন এসব ধনী ক্লাবগুলোর আগমন সীমিত করার লক্ষ্যে ধারাটি নতুন ভাবে প্রতিস্থাপন করেছে উয়েফা।
উয়েফা সভাপতি আলেকসান্ডার সেফেরিন সংস্থার নির্বাহী কমিটির বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন নিয়ম আসলে একটি স্কোয়াডের খরচের প্রবর্তন যাতে, খেলোয়াড়দের বেতন ও ট্রান্সফার খরচের বিষয়টি আরও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।’







