শিশু সন্তান নিয়ে সিরিয়ার আইএস ক্যাম্পে বসবাস করা আরো দুই আইএস বধূর নাগরিকত্ব বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য।
যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী কথিত ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেয়া ব্রিটিশ শামীমা বেগমের শিশু ছেলে মারা যাওয়ার পর নতুন করে এ তথ্য জানা গেলো।
এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা পৃথকভাবে কোন ঘটনার ওপর মন্তব্য করে না। কারো নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত তথ্যপ্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই নেয়া হয়ে থাকে, যা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
দি সানডে টাইমস এর বরাতে বিবিসি জানায়, পশ্চিম লন্ডন থেকে সিরিয়ায় যাওয়া ওই দুই নারী হলেন রিমা ইকবাল(৩০) এবং তার বোন জারা(২৮)।
রিমা এবং জারা সিরিয়ায় আলাদা দুটি শরণার্থী ক্যাম্পে বাস করছেন। যেখানে জিহাদিদের নিয়ন্ত্রিত সাবেক এলাকাগুলো থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার শরণার্থী রয়েছেন।
এই দুই নারীর পাঁচটি ছেলে সন্তান রয়েছে যাদের বয়স আট বছরের নিচে। রিমা জারার বাবা মা পাকিস্তান থেকে এসেছেন। তবে তাদের দৈত নাগরিকত্ব আছে কিনা তা জানা যায়নি।
রিমা এবং জারা ২০১৩ সালে সিরিয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য ছাড়েন এবং তার আগেই গোপনে তারা আইএস যোদ্ধাদের বিয়ে করেন। এসব যোদ্ধার বিরুদ্ধে পশ্চিমা জিম্মি হত্যা এবং ভিডিও করার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে।
যুক্তরাজ্য ছাড়ার সময় জারা গর্ভবতী ছিলেন। সিরিয়ায় গিয়ে তিনি তৃতীয় সন্তানের মা হন। আর রিমার একটি সন্তানের জন্ম হয় যুক্তরাজ্যে, অপর জনের সিরিয়ায়।
তাদের মতই আরেক নারী আইএস বধূ শামীমা বেগম। সম্প্রতি তার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ।
সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে গত বৃহস্পতিবার শামীমা বেগমের তিন সপ্তাহ বয়সী ছেলের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে এই সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগেও তার দুটি সন্তান মারা যায় বলে জানা গেছে। আইএস বাহিনীতে যোগ দিতে ১৫ বছর বয়সে লন্ডন ছেড়ে সিরিয়ায় যান শামীমা।
তিনি আবার যখন লন্ডন ফিরে আসার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা জানান।








