দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে ১৬৩ রানে আটকে পরে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়ে সেটি টপকে গেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। দুর্দান্ত গতিতে ছুটতে থাকা সাকিব-উইলিয়ামসনের দল তাতে শীর্ষে আছে ৯ ম্যাচ শেষে ১৪ পয়েন্টে। সমান পয়েন্টে এক ম্যাচ বেশি খেলা চেন্নাই রান ব্যবধানে দুইয়ে।
শনিবার হায়দরাবাদের মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে দিল্লি। জবাবে এক বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে সানরাইজার্স।
এদিন উইকেটের দেখা পাননি সাকিব, ৪ ওভারে খরচ করেছেন ৩৪ রান। পরে ব্যাটে নামার সুযোগ হয়নি দল তিন উইকেটের বেশি না হারানোয়।
রান তাড়া করতে নেমে হেলস ও ধাওয়ান ৭৬ রানের জুটি আনেন, ৯ ওভারে। ৩টি করে চার-ছয়ে ৩১ বলে ৪৫ রানে হেলস ফিরলে ভাঙে জুটি। ধাওয়ান ফেরেন ৩৩ রানে, ২ চার ও এক ছক্কায় ৩০ বলের ইনিংস সাজিয়ে।
মনিষ পান্ডে পরে ২১ রানে ফিরলেও কেন উইলিয়ামসন ৩২ এবং ইউসুফ পাঠান ২৭ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ হাত করেই মাঠ ছাড়েন। পাঠান দুটি করে চার-ছয়ে ১২ বলের ঝড় তুলে জয় নিরাপদ করেন।
আগে সানরাইজার্সদের হয়ে এদিন দারুণ বোলিং করেছেন রশিদ খান। ৪ ওভারে ২৩ রানে ২ উইকেট। অন্য উইকেটটি কাউলের।
আর দিল্লি দেড়শ পেরোনো সংগ্রহ পায় পৃথ্বির ৬৫ রানের কল্যাণে। ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ বলের ইনিংস তার। ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩৬ বলে ৪৪ এসেছে আয়ারের থেকে। মাঝে পান্ট ১৮ ও শেষে শঙ্কর ১৩ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
সাকিব বল হাতে পান ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই। ১৮ বছর বয়সী পৃথ্বি-শ্ব তাকে ওভার বাউন্ডারিতে আমন্ত্রণ জানান। পরের বলে ডট করেন টাইগার তারকা। তৃতীয় বলে আসে এক রান। চতুর্থ বলেও এক। পঞ্চম বলটি ডট করানোর পর পৃথ্বি দুই নিয়ে ওভারের ইতি টানেন। মোট ১০ রানের ওভার শেষ হয়।
আবারও সপ্তম ওভারে ডাক পড়ে সাকিবের। শ্রেয়াস আয়ার সিঙ্গেল নিয়ে শুরু করেন। পরের পাঁচ বলে আয়ার ও পৃথ্বি এক করে তুলে প্রান্ত বদল করতে থাকেন। শেষ হয় সাকিবের ৬ রানের ওভার। এর মাঝেই চতুর্থ বলে সিঙ্গেল নেয়ার সময় নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন পৃথ্বি।
নবম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভারটি করতে এসে সিঙ্গেল দিয়েই শুরু করেছিলেন সাকিব। দ্বিতীয় বলে আয়ার ছক্কা হাঁকানোর পর তৃতীয় বলটি ডট করেন। চতুর্থ বলে আবারও বাউন্ডারি, এবার চার হাঁকান আয়ার। পঞ্চম বলে নেন এক। শেষ বলে পৃথ্বি দুই নিলে ১৪ রান খরচায় শেষ করতে পারেন টাইগার অলরাউন্ডার।
সাকিব নিজের কোটা পূরণের ডাক পান ১৮তম ওভারে। ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানকে টানা দুই বল ডট করিয়ে ওভার এগিয়ে নেন। তৃতীয় বলে এক আসে। চতুর্থ বলেও সিঙ্গেল। পঞ্চম বলে ক্রিস্টিয়ানকে ডট করালেও শেষ বলে দুই তুলে নেন এ অলরাউন্ডার। ৪ রানের দারুণ ওভারটি দিয়ে সাকিব চার ওভারে ৩৪ রানে উইকেটশূন্য থেকে নিজের কোটার সমাপ্তি টানেন।







