পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, পদ্মাসেতু প্রকল্পে অতীতেও
কোন দুর্নীতি হয় নি, এখনো হচ্ছে না। পদ্মাসেতুতে লুটপাট হচ্ছে- বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর রোববারের বক্তব্যের জবাবে
এ কথা বলেন তিনি।
২০১৮ সালে পদ্মাসেতু চালুর সাথে সাথে ওই এলাকায়
অর্থনীতিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবে বলে বাড়তি বিদ্যুৎ এর যোগান দিতে প্রায় ১৩’শ
কোটি টাকার প্রকল্পও অনুমোদন করেছে সরকার।
রোববার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি’র আয়োজনে বাজেট আলোচনায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, পদ্মসেতুর ব্যয় তিন বিলিয়নের জায়গায় এখন ছয়-সাত বিলিয়ন হয়ে গেছে। আমি এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি এর কাজ শেষ করতে ৯ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। তো ৩ বিলিয়নের ব্যয় যদি ৯ বিলিয়ন হয়, তাহলে আমরা কি উন্নতি করলাম।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তবে দাপ্তরিক কাজ থাকায় আলোচনা শেষ হওয়ার আগে চলে যান তিনি। মঙ্গলবার একনেক বৈঠক শেষে দুর্নীতি, লুটপাটের বিষয়ে অভিযোগের জবাব দেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, উনারা কম খরচে করে আসলেন না কেন। কোন হাইওয়ে, ব্রিজ উনারা করে এসেছেন। উনি কিভাবে জানেন পদ্মা ব্রিজ করতে কতো টাকা লাগবে। উনি এবং উনার সরকার তো করে নাই। কোথায় দুর্নীতি হয়েছে উনাকে বলতে হবে। একথা তো বিশ্বব্যাংক বলছে, তো উনি বিশ্বব্যাংকের হয়ে বলছেন কিনা আমি জানি না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক বৈঠকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নত করতে ১২’শ ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করতে ওই প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে ।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটা ওয়েস্টজোনের বিদ্যুৎ বিতরণ ও সম্প্রাসারণ উন্নতির জন্য। যদি বিতরণ ব্যবস্থা না থাকে তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেও আমরা তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারবো না।
একনেক বৈঠকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।








