অক্টোবরে দেশের মাটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলে টেস্টকে বিদায় জানাতে চান সাকিব আল হাসান। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য প্রত্যাশা করছেন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তারও। কিন্তু সেটির এখতিয়ার বা ক্ষমতা যে বিসিবির নেই সেটি সাফ দিয়েছেন বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ।
বৃহস্পতিবার রাতে পরিচালকদের সভা শেষে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন বিসিবির নতুন সভাপতি, ‘গতকাল দুই দফায় কথা হয়েছে সাকিবের সঙ্গে। আমি তো আসলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ না। সেটার পার্ট হতে পারবো না। একজনকে ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য নাই। সেটা আসলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দিক থেকে এবং তার দিক থেকে আসতে হবে। বোর্ড থেকে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার সামর্থ্য বিসিবির নাই।’
আরেক প্রশ্নে সাকিবের নিরাপত্তা নিয়ে ফারুক বলেছেন, ‘আমি কোনও এজেন্সি না, পুলিশ বা র্যাব না। কিংবা বিসিবিও এখানে কেউ না। এটা সরকারের তরফ থেকে নিরাপত্তার বিষয়টা আসতে হবে। নিরাপত্তাটা দুই রকম। একটা হচ্ছে, ‘‘ক্লিয়ারিং ফ্রম’’ (দেশ ছাড়ার)। এটা হয়তো আপনাদের বলেছে। আরেকটা হলো, দর্শকদের থেকে নিরাপত্তা। এটা আসলে তার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা এখানে পার্ট হতে পারবো না আসলে। এই মুহূর্তে বোর্ড থেকে এ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব না। বোর্ড ব্যক্তিগতভাবে কাউকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না আসলে। সেই অ্যাবিলিটিও নেই।’
রাজনৈতিক কারণে সাকিবের দেশে ফেরা এখন অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও আছে। তাই সাকিব দেশে এসে সিরিজ খেলতে পারলেও প্রয়োজনে দেশ ত্যাগ করতে পারবেন- তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
কানপুরে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেছেন, ‘আমি যেন গিয়ে খেলতে পারি এবং নিরাপদ অনুভব করি। যখন দেশের বাইরে আসার দরকার হবে, দেশের বাইরে আসতেও যেন আমার কোনও সমস্যা না হয়। বোর্ড খেয়াল করছে। বিষয়গুলোর সঙ্গে যারা জড়িত তারা দেখছেন। তারা হয়তো আমাকে একটা সিদ্ধান্ত দেবে, যেটার ভিত্তিতে আমি দেশে গিয়ে খুব ভালোভাবে খেলে অন্তত টেস্ট ফরম্যাটটা ছাড়তে পারবো।’








