‘আমার যে বছর জন্ম সে বছর ১৯৫০ সালে ‘সিনেমা’ পত্রিকাটা বের হয়। এটা কল্পনাও করা যেত না সেময়। কিন্তু তিনি সেটা বাংলায় শুরু করেছিলেন। যা সেই সময়ে সিনেমা বানাতে আসা তরুণদের জন্য ভীষণ উপকারি ছিল।’
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক এবং প্রথম বাংলা শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক ফজলুল হক-এর ২৭তম প্রয়াণ দিবসে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলছিলেন ‘গেরিলা’ খ্যাত নির্মাতা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক এবং প্রথম বাংলা শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর পরিচালক ফজলুল হকের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৬ অক্টোবর। তার সম্মানে ২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বকে দেওয়া হয় ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার। এবার পদক পাচ্ছেন চলচ্চিত্র পরিচালনায় আবদুল লতিফ বাচ্চু ও চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় নরেশ ভূঁইয়া।
রাজধানীর গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনের বলরুমে দুপুর বারোটা থেকে শুরু হয়েছে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ অনুষ্ঠান। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন মামুনুর রশিদ, কেকা ফেরদৌসি এবং হাসান ইমাম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফজলুল হককে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন নির্মাতা নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। তিনি এই গুণী মানুষটির জীবন ও কর্ম নিয়ে বিস্তর কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় আছেন মৌসুমী বড়ুয়া।
প্রসঙ্গত, ১৯৩০ সালে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ফজলুল হক। পঞ্চাশের দশকে যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যাত্রা শুরু করেনি চলচ্চিত্রশিল্প, সে সময় বগুড়ার মতো মফস্বল শহর থেকে ‘সিনেমা’ নামে চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পত্রিকাটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম সিনেমাবিষয়ক সাময়িকী। সারা দেশেই এটি আলোড়ন তুলেছিল। এ সূত্রে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ফজলুল হক।
ছবি: জাকির সবুজ








