সমস্ত মৃত্যুই আমাদের জন্য দু:খজনক উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছেন, ‘আমরা এমন কোন কাজ করবো না, যাতে জাতির ক্ষতি হয়।’
বিক্ষোভকারী বা আন্দোলনকারীদের ওপর মরণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আজকের শুনানি মুলতবি করে আগামীকাল (৩১ জুলাই) আবার শুনানির দিন ধার্য করেন।
আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন ও আইনজীবী অনিক আর হক। অন্যদিকে রাষ্ট্র পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির, শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও মেহেদী হাসান চৌধুরী। এছাড়া শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, নূরুল ইসলাম সুজন, মমতাজ উদ্দিন ফকির, আজহার উল্লাহ ভুইয়া ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক শাহ মনজুরুল হক।
গতকাল হাইকোর্টে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি। রিটে ‘আন্দোলনকারী বা বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় নামার আশংকা’র কথা উল্লেখ করে তাদের ওপর মরণঘাতী গুলি না চালানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়। সেই সাথে এই রিটে কোটা বিরোধী আন্দোলনের ৬ জন সমন্বয়কের ডিবি হেফাজত নেয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে তাদের মুক্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়।
গতকাল বিষয়টি শুনানির জন্য এলে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির, শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও মেহেদী হাসান চৌধুরী রিটটি গ্রহনযোগ্য নয় বলে রিটের আবেদন খারিজ করতে আবেদন করেন। সেই সাথে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন নিরাপত্তা দিতে ওই ৬ জন সমন্বয়কের ডিবি হেফাজত নেয়া হয়েছে। তাদের গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি।
অন্যদিকে, গতকাল রিটের পক্ষে ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, জেড আই খান পান্না, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী অনিক আর হক, মানজুর আল মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি রিটের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। সেই সাথে কোটা বিরোধী আন্দোলনের ৬ জন সমন্বয়কের ডিবি হেফাজত নেয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে তাদের হাইকোর্টে উপস্থিত করা অথবা পরিবারের কাছে দিতে আদেশ চান। একপর্যায়ে হাইকোর্ট রাষ্ট্র পক্ষের আবেদনে ও রিটকারিদের পিটিশন কারেকশনের সময় দিয়ে শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।







