ভানুকা রাজাপাকশের গল গ্ল্যাডিয়েটর্সকে ২৩ রানে হারিয়ে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতে নিয়েছে থিসারা পেরেরার জাফনা কিংস।
হাম্বানটোটায় ফাইনালে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেটে ২০১ রান তোলে জাফনা কিংস। জবাব দিতে নেমে ৯ উইকেটে ১৭৮ পর্যন্ত যেতে পারে গল গ্ল্যাডিয়েটর্স।
ম্যাচের শুরুটা ঠিক যেমন দরকার ছিল, জাফনা তেমনই পায়। টসে জিতে ব্যাটে এসে উড়ন্ত সূচনা পায় আভিস্কা ফার্নান্ডো ও রাহমানুল্লাহ গুরবাজের কারণে। জুটি ভাঙার আগে দু-ওপেনার ৫.২ ওভারে ৫৬ রান তুলে দেন। ১৮ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৩৫ রান করে গুরবাজ আউট হন।
জাফনার রান তোলার গতি তাতে থামেনি। আভিস্কাকে নিয়ে টম কোহলের-কাডমোর আরও ৬৩ রান যোগ করেন। দলীয় ১১৯ রানে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ বলে ৬৩ করে আভিস্কা ক্যাচ দিয়ে ভাঙে জুটি।
পরে শোয়েব মালিককে নিয়ে ঝড় চালিয়ে যান কাডমোর। দুই ব্যাটার ৬২ রানের জুটি গড়ে দেন। মালিক ১১ বলে এক বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় করে যান ২৩ রান।
শেষের ঝড়ে অধিনায়ক থিসারা পেরেরা, ৯ বলে এক বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। কাডমোর ৪১ বলে দুই চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৫৭ রানে।
গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে বিবর্ণ ছিলেন মোহাম্মদ আমির, একটি উইকেট পেলেও ৪ ওভারে বিলিয়েছেন ৩৯ রান। বাকি উইকেট দুটি নুয়ান থিসারা ও সামিত প্যাটেলের।
বড় রান তাড়ায় নেমে গলও আগ্রাসী হয়ে উঠেছিল। ওপেনিংয়ে পায় উড়ন্ত সূচনা। ৪.২ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৬৩ রান তুলে ফেলে। যার মধ্যে ধানুশকা গুনাথিলাকা একাই করে যান ৫৪ রান। ২১ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কার তাণ্ডব তার। হাসারাঙ্গার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
পরের বলেই বেন ডাঙ্কের উইকেট তুলে হ্যাটট্রিকের আশা জাগান হাসারাঙ্গা। মোহাম্মদ হাফিজ ১০ রান করে রিলে থ্রোতে রানআউট হলে গলের শিরোপার আশা ফিকে হতে থাকে।
ওপেনার কুশল মেন্ডিসও হন রানআউট, করেন ৩৯ রান। ছয়ে নামা সামিত প্যাটেল ২২ এবং অধিনায়ক ভানুকা রাজাপাকশে ১৪ রানের বেশি দিতে পারেননি। বাকি ব্যাটাররা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে রান নিতে পারেননি।
জাফনার হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও চতুরাঙ্গা ডি সিলভা ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট থিকসানা, জায়ডেন ও লাকমালের।








