উপুল চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে, বয়স ৫০। নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার দিয়ে যতটা পরিচিত তার চেয়েও বেশি সফল একজন ক্রিকেট কোচ হিসেবে। ২০১৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাকে হেড কোচ হিসেবে পেয়ে স্বপ্নের মতো সাফল্য ধরা দেয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে। মাঠের সাফল্য ক্রিকেটারদের অবদানে হলেও ‘মাষ্টারমাইন্ড’ ছিলেন হাথুরু।
চণ্ডিকার সাড়ে ৩ বছরে বাংলাদেশ ৫ টেস্ট, ২০ ওয়ানডে আর ৯টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ জিতেছে। এই রেকর্ড সমৃদ্ধ হতে পারতো আরও। কিন্তু হঠাৎ করেই চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত তার। বিসিবি ‘হঠাৎ’ শব্দটা বললেও চণ্ডিকা জানালেন, কোন রাগ বা আবেগে নয়, পেশার তাগিদেই বাংলাদেশের চাকরি ছেড়েছেন তিনি। আর তিন মাস আগে নোটিশ দিয়ে তবেই স্বদেশে গেছেন।
চণ্ডিকা জামানায় বাংলাদেশের সাফল্য গাঁথার গল্পটা লম্বা। ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা, ওই বছরই হোমে একে একে ভারত, পাকিস্তান এবং সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে ওডিআই সিরিজ জয়।
পরে ২০১৬তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের পাশাপাশি আছে ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের মাঠে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি’র সেমিফাইনালে যাওয়া। সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও প্রথম টেস্ট জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
কিন্তু চণ্ডিকার বিদায়ে পাল্টে গেছে গতিপথ। চলতি বছরটা শুরু হল বাজেভাবে। সমস্যাটা জানতে চাওয়া হয়েছিল সাবেক কোচের কাছে। তিনি বিস্মিত হওয়ার কথাই জানালেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাওয়া কোচ চণ্ডিকাই এখন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে দামী কোচ। তাকে বলা হচ্ছে লঙ্কান সাফল্যের ‘নেপথ্য-কারিগর’। কিন্তু তিনি সেটা মানতে নারাজ। হাথুরুসিংহে মনে করেন, সব বিভাগেই বাংলাদেশের চেয়ে ভাল ক্রিকেট খেলে সিরিজ জিতেছে তার দল।
বিস্তারিত ভিডিও রিপোর্টে-








