ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নিয়মিত খেললেও গত দুই আসর অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে দূরে ছিলেন। নেতৃত্বের ভার তুলে দেন সতীর্থের কাঁধে। এবারও হতে পারে তেমনটা। পুরো আসরেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডের হয়ে অধিনায়কত্ব করতে হতে পারে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে। কয়েকদিন আগে প্রিমিয়ার টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে আকাশী-নীল শিবিরকে নেতৃত্ব দেন তরুণ এই ক্রিকেটার।
শুক্রবার মাঠে গড়াবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ওয়ানডে সংস্করণ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন বিকেএসপি’র বিপক্ষে খেলতে নামবে আবাহনী। মাশরাফী স্বপরিবারে ভারতের মানালি ভ্রমনে যাওয়ায় লিগের শুরু থেকে খেলতে পারছেন না। দলটির কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন জানালেন, সম্ভবত তিন ম্যাচ পর মাঠে নামবেন মাশরাফী। ওয়ানডে অধিনায়ক দলে যোগ না দেয়া পর্যন্ত মোসাদ্দেক দেবেন নেতৃত্ব।
গত দুই আসরের মতো এবারও যদি মাশরাফী অধিনায়কের দায়িত্ব নিতে না চান তাহলে ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেককেই সামলাতেই হতে পারে পুরো আসর। বৃহস্পতিবার মিরপুরের একাডেমি মাঠে অনুশীলনের ফাঁকে খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘কথা ছিল ১০ তারিখের পর থেকে মাশরাফীর সব ম্যাচ খেলার। ভেবেছিলাম দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই পাব। ও আসার পর হয়তো জানা যাবে কবে থেকে খেলবে। হয়তো তিন ম্যাচ মিস করবে।
‘মোসাদ্দেক অধিনায়কত্ব করবে, যেহেতু টি-টুয়েন্টিতে ওই করেছে। মাশরাফী যতদিন না আসে মোসাদ্দেকই আমাদের ভরসা।’-বলেন আবাহনী কোচ।
ঢাকা লিগের গত আসরে কাগজে-কলমে আবাহনীর অধিনায়ক ছিলেন নাসির হোসেন। তবে খালেদ মাহমুদ জানালেন মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাশরাফী, ‘গতবার মাশরাফীই (অধিনায়ক) ছিল। নামে (নাসির) ছিল আর কি। মাশরাফী থাকা মানেই একটা বড় ব্যাপার। হ্যাঁ, নাসির আমাদের ক্যাপ্টেন ছিল সেটা সত্যি কথা। তবে মাশরাফী টিমে থাকলে মাঠ নিয়ন্ত্রণ করা, নিঃসন্দেহে ওর সাহাজ্য তো ছিলই। নাসিরও অনেক অভিজ্ঞ। আমি মনে করি মোসাদ্দেকও খারাপ হবে না। তবে মাশরাফী আসলে অনুরোধ করা হবে অধিনায়ক হওয়ার জন্য।’
২০১৭ সালে মাশরাফী খেলেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে। ক্লাব মাশরাফীকে অধিনায়কত্ব দিতে চাইলেও মাশরাফী অনুরোধ করে মুশফিকুর রহিমকে তুলে দেন নিজের দায়িত্ব। নামের পাশে ক্যাপ্টেন ট্যাগ সরালেও নির্ভার হয়ে খেলার সুযোগ অবশ্য নেই। অধিনায়ক না হয়েও যে সিদ্ধান্ত নিতে হয় মাঠে!








