পনের বছরে এক-তৃতীয়াংশ গাছ চুরি হওয়ার পর টানা পাঁচবছর একটি গাছও চুরি হয়নি মধুপুর শালবনে। চুক্তিভিত্তিক পাহারাদার নিয়োগের বিশেষ কৌশল নিয়ে এই সাফল্য পাওয়া গেছে বলে দাবি বন বিভাগের।
মধুপুর গড়ে প্রায় ৪৫ হাজার একর জমিতে রয়েছে বনাঞ্চল। কিন্তু একটি চক্রের দৌরাত্মে শুধু গাছ চুরি নয়, বনের প্রায় ১০ হাজার একর জমি বেদখল হয়ে যায়। ২০১০-১১ অর্থ বছরে একটি চুক্তির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয় কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার।
কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কাররা বলছে, তারা বিগত বছরগুলোতে সঠিকভাবে বন দেখেশুনে রেখেছে, তাদের এ চুক্তির মেয়াদ যেন বাড়ানো হয়।
৭’শ কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কারের চুক্তি এবার শেষ হচ্ছে। আবারও মধুপুর শালবন অরক্ষিত হয়ে পড়ার অংশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন বিভাগ বলছে, নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল বন বিভাগ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের নানাবিধ বিকল্প ব্যবস্থার সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বনের কোন ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বর্তমানে এই প্রজেক্টটা শেষ হয়ে যাওয়ায় আবারো বন হুমকীর মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আমরা এই রকম প্রকল্প আরো বেশি বেশি নিয়ে এসে বন নির্ভর লোকদের সার্পোট দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি ।
প্রাকৃতিক সম্পদে ভরা মধুপুর শালবনের ক্ষতি ইতোমধ্যে অনেক হয়েছে। এখনই প্রয়োজন জাতীয় সম্পদকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে। এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






