ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং বর্ধিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচন স্থগিতাদেশের লিখিত কপি পেলে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
নির্বাচন স্থগিত করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা উত্তরের নির্বাচন স্থগিত করার কথা তিনি সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানেন না। আদেশের লিখিত কপি পেলে তখন পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানান তিনি।
হেলালুদ্দীন আরো বলেন, ‘আপাতত হাইকোর্টের আদেশের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনের সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখবে নির্বাচন কমিশন। তবে যেহেতু ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত অংশের নির্বাচন নিয়ে কোনো আদেশ হয়নি, সেহেতু দক্ষিণের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলবে।’
রিটার্নিং অফিসার আবুল কাশেম বলেছেন, রিটকারী ভোটার তালিকা নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা নিয়ে গাফিলতি হয়নি।
আবুল কাশেম বলেন, ‘ভোটার তালিকার সিডি আমাদের কাছে আছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সবাইকেই সিডির কপি দেয়া হয়েছে। রিটকারী নিজেও সেই সিডি নিয়ে গেছেন।’ তারপরও কেন তিনি রিট করেছেন তার পূর্ণাঙ্গ কারণ লিখিত আদেশ পড়ার পরই বলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গত ৯ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচনসহ সিটি কর্পোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া এলাকায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
ওই তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট করেন ভাটারা ইউপির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও বেরাইদ ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
বুধবার সেই রিট রুলসহ আদেশ দিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং বর্ধিত অংশের কাউন্সিলর নির্বাচন স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
এছাড়াও নির্বাচনের তফসিল তিন মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং ঢাকা সিটির সম্প্রসারিত অংশের নবগঠিত ওয়ার্ডে নির্বাচনী তফসিলে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল অনুসারে, নির্বাচনে প্রার্থিতার জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ১৮ জানুয়ারি। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ২১ ও ২২ জানুয়ারি।
আর প্রার্থিতা পাবার পর ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তা প্রত্যাহারের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল।








