প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেনকে শেষবারের মতো দেখতে ঢাকায় তার দুই পুত্র আকাশ হোসেন ও মেঘদূত হোসেন। তারা সোমবার সকালে মা মিরিয়ামের সাথে প্যারিস থেকে ঢাকায় অবতরণ করেন।
নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে দেশ ছেড়ে ফ্রান্সে পাড়ি জমিয়েয়ে ছিলেন আনোয়ার হোসেন। সেখানেই মিরিয়ামকে বিয়ে করেন তিনি।
প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার, ফটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেনের শেষ বিদায়ের আয়োজন সম্পন্ন। সোমবার সকাল ১১টায় তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। যেখানে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সিনেমা অঙ্গনের মানুষ।
দুপুর ১২:৩০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে আনোয়ার হোসেনের নামাযে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হবে। ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মামুন এই খবরটি নিশ্চিত করেন।
১ ডিসেম্বর শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেল কক্ষে মৃত্যু হয় আনোয়ার হোসেন এর। ধারণা করা হচ্ছে হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।
সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি থাকলেও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের একজন আলোকচিত্রীও ছিলেন আনোয়ার হোসেন। বেশকিছু দিন ধরেই পরিবারসহ তিনি প্যারিসে থাকতেন। ‘সূর্যদীঘল বাড়ী’ ছাড়াও আনোয়ার হোসেন ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’,‘পুরস্কার’, ‘অন্য জীবন’ এবং ‘লালসালু’র জন্য শ্রেষ্ঠ সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।







