অধস্তন আদালতে আসামির জন্য খাঁচা স্থাপনের বিধান সংবিধানের সাথে কেন সাংঘর্ষিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আদালতে খাচা থাকার বিধান সম্বলিত ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস-এর ৮২ বিধি সংবিধানের ৩৫ (৫) অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে করা এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
এদিকে, ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস-এর ৮২ বিধি অনুযায়ী প্রতিটি আদালতে অভিযুক্তের জন্য উপযুক্ত খাঁচা থাকবে। খাঁচাটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে কোনো আসামি সহজে পালাতে না পারে এবং খাঁচা থেকে আসামি যাতে পালাতে না পারে, সে জন্য সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ পাহারায় থাকবে।
অন্যদিকে, আমাদের সংবিধানের ৩৫ (৫) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানসিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাবে না কিংবা কারও সঙ্গে অনুরূপ ব্যবহার করা যাবে না।
আদালতের কক্ষ থেকে লোহার খাঁচা সরাতে নির্দেশনা চেয়ে এর আগে ১০ আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। যেখানে দেশের কোন কোন আদালতের ভেতরে (অধস্তন আদালতের এজলাসকক্ষ) লোহার খাঁচা রয়েছে, সে বিষয়ে ৬০ দিনের মধ্যে আইন সচিবকে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।








