জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির নেতা সাখাওয়াত হোসেনসহ ৮ জনের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায় যে কোনদিন ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। হত্যা নির্যাতনের অভিযোগে আসামীর সর্বোচ্চ সাজার প্রার্থনা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আর নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছে আসামীপক্ষ।
গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর ১২ আসামীর মধ্যে ৩ জনকে অব্যাহতি দিয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে ৫ অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। তারা হলেন- আটক সাখাওয়াত হোসেন, বিল্লাল হোসেন, লুৎফর মোড়ল। তবে বিচার চলার সময় এক আসামীর মৃত্যু হয়।
পলাতক অন্য আসামীরা হলেন ইব্রাহিম হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, আ. আজিজ সরদার, আজিজ সরদার, কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং আব্দুল খালেক মোড়ল। অপরাধ প্রমাণের জন্য ১৭ সাক্ষী দেয় রাষ্ট্রপক্ষ।
অন্যদিকে কোন সাফাই সাক্ষী দেয়নি আসামীপক্ষ। উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে যে কোনদিন রায় ঘোষণার সিদ্ধান্ত জানান চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ কী আশা করে, সে কথা জানান তারা।
প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, সাখাওয়াত হোসেনসহ তার অন্যান্য সঙ্গী ও আসামীদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। সেকারণে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আমরা প্রত্যাশা করি।
ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা যুক্তি সম্পর্কে জানায় আসামীপক্ষ বলেন, প্রসিকিউশন তাদের মামলাকে প্রমাণ তো দূরের কথা বরং তাদের স্বাক্ষীর মাধ্যমে এবং ডকুমেন্টের মাধ্যমে মামলাকে পরিচালনা করেছে। সুতরাং আমরা ট্রাইব্যুনালে সাখাওয়াত হোসেনসহ নিরাপরাধ অন্যান্য আসামীদের খালাস প্রত্যাশা করছি।
একই দিনে কক্সবাজারের মহেশখালীর সালামত উল্লাহসহ ১৯ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ৩১ আগস্ট ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার পলাতক ১৪ আসামির পক্ষে ৪ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।







