নির্বাচনী ডামাঢোল শুরুর আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানকে সর্তক করে চিঠি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
দলীয় কার্যালয় ব্যবহার না করে সার্কিট হাউজে বর্ধিত সভা ডেকে প্রার্থী ঘোষণা বেআইনী বলে রিটার্নিং অফিসারসহ প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে ইসি। কীভাবে এমন ঘটলো টেলিফোনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে তাও জানতে চেয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ।
১৪ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন সার্কিট হাউজে বর্ধিত সভা করে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।
নির্বাচন কমিশন বলছে, সার্কিট হাউজে প্রার্থী ঘোষণা আইনের লঙ্ঘন। যে যত বড়ই হোক না কেন ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
মো: শাহনেওয়াজ বলেন, ‘এটা অবশ্যই বেআইনী কাজ হয়েছে। এই বিষয়গুলো যারই নজরে আসুক তাদের সবাইকে আমি অনুরোধ করবো তারা যেন সাথে সাথে আমাদের রিটার্নিং অফিসার বা আমাদেরকে জানাতে পারেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বারবার বলেছি যে পর্যায়ের লোকই হোক না কেন সার্কিট হাউস, ডাক বাংলাে বা সরকারী প্রতিষ্ঠানে কোনোরকম প্রচারণার কাজ বা নির্বাচনী কাজ করতে পারবে না। আমােদর কড়া নির্দেশ রয়েছে সাথে সাথে যেন অ্যাকশন নেয়া হয়। ডিসি, এসপি আছে এবং আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে যারা রয়েছে তাদের অবশ্যই বলে দেব যে এগুলো যেন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।’

নির্বাচন যেন কোনভাবেই বিতর্কিত না হয় সেজন্য টেলিফোনে কর্মকর্তাদের সতর্কও করে দেন নির্বাচন কমিশনার শাহনেওয়াজ। টেলিফোনে নারায়ণগঞ্জের এক কর্মকর্তাকে তিনি বলেন, ‘একটা নোটিশ দিয়ে দেন। আগে থেকে না হলে পরে সামলানো যাবে না। যদি এটিা নজরে আসে যে সেখানে (সার্কিট হাউজ বা সরকারী প্রতিষ্ঠানে) এমপি সাহেব প্রচারণা চালাচ্ছে তাহলে এগুলো সব বাধা দেবেন। যতো খাতিরের হোক বাধা দেবেন।’
যদি কেউ কারো হয়ে আইন ভাঙ্গার চেষ্টা করে তাহলে নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।








