প্রথম ম্যাচের মতোই ধীরগতিতে এগিয়ে চলা তামিম ইকবাল খোলস খুললেন ইনিংসের ১৬তম ওভারে। লেগস্পিনার শাদাব খানকে তিন চার মেরে তুলে নিলেন ১৪ রান। ওই ওভারেই ফিফটি ছোঁয়া টাইগার ওপেনার রানআউট হয়ে ফেরার আগে খেলে যান ৫৩ বলে ৬৫ রানের ইনিংস। তারপরও সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে দেড়শ পর্যন্ত যেতে পারেনি বাংলাদেশ।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তুলেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৪১ রান করে ৫ উইকেটে হেরেছিল সফরকারীরা। সিরিজে টিকে থাকার ম্যাচ আগের সংগ্রহটাও ছুঁতে পারেনি টাইগাররা।
তামিম ছাড়া দুইঅঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন কেবল আফিফ হোসেন (২১) ও মাহমুদউল্লাহ (১২)। তামিমের লড়াকু ইনিংসটিতে ছিল সাতটি চার ও একটি ছয়ের মার।
আগের ম্যাচের মতোই মন্থর উইকেট ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত বুমেরাং হল কিনা সেটি জানতে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদিও বড় সংগ্রহ গড়তে না পারার পেছনে ব্যাটসম্যানদের দায়ই বেশি।
তামিমের ওপেনিং পার্টনার নাঈম শেখ ফিরে যান দ্বিতীয় ওভারেই। পাকিস্তানের তরুণ পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি তুলে নেন এ বাঁহাতির উইকেট। গোল্ডেন ডাক পিছিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। দলীয় সংগ্রহ তখন ৫ রান।
ঢাকা প্লাটুনের হয়ে বিপিএল মাতিয়ে জাতীয় দলে ফেরা মেহেদী হাসান শুরু করেছিলেন দুর্দান্ত। বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিমকে ছক্কা মেরে দিয়েছিলেন দারুণ কিছুর আভাস। কিন্তু থেমে যেতে হয় দ্রুতই। মোহাম্মদ হাসনাইনের স্লো-বাউন্সারে পুল করতে গেলে ব্যাটের কানায় লেগে বল উঠে যায় আকাশে। সহজ ক্যাচ লুফে নেন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৯ রানে থামে ইনিংস।
২২ রানে ২ উইকেট হারালে চাপ বাড়ে তামিমের উপর। এ ওপেনার সময়ের দাবি মেটান ঝুঁকিহীন ব্যাটিং করে। তামিম একপ্রান্ত আগলে রাখলেও উইকেট পড়ে নিয়মিত বিরতিতে।
লিটন দাস ১৪ বল খরচ করে সাজঘরে ফেরেন ৮ রান করে। শাদাবের বলে এলবিডব্লিউন হন তিনি। রিভিউ নিয়ে দেখেন বল লেগস্টাম্প হাওয়া দিয়ে বেরিয়ে যেত। কিন্ত আম্পায়ার্স কলে কাটা পড়েন লিটন। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৭.৫ ওভারে ৪১ রান।
আফিফ হোসেনের সঙ্গে তামিমের চতুর্থ উইকেট জুটি জমে ওঠে দারুণ। ৪৫ রানের জুটি ভাঙে আফিফ আউট হলে। এ বাঁহাতি ২০ বলে একটি করে চার-ছক্কায় করেন ২১ রান।
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ১২ বলে করেন ১২ রান। সৌম্য সরকার ৫ বলে ৫ ও আমিনুল ইসলাম ৪ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।








