ভারতের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের দলে ঠাঁই হয়নি লাসিথ মালিঙ্গার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের পঞ্চম আসরে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলতে আসেন তিনি। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে ‘জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্য’ ঢাকা ত্যাগ করেন।
মালিঙ্গা আগেভাগে বিপিএল ছাড়ার যুক্তি হিসেবে পারিবারিক কারণ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কান গণমাধ্যম ইঙ্গিত দিচ্ছে, জাতীয় দলের প্রস্তুতির জন্যই আগে দেশে চলে যান গতি তারকা। মাশরাফীর দলের হয়ে তিনি শেষ ম্যাচ খেলেন ৮ ডিসেম্বর, খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে দুই উইকেট নিতে চার ওভারে ৪৯ রান খরচ করেন। এরপর রংপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচের আগে দল ছাড়েন। মালিঙ্গার পাশাপাশি বাদ পড়েছেন সুরঙ্গা লাকমালও। শ্রীলঙ্কা সর্বশেষ টি-টুয়েন্টি খেলে গত অক্টোবরে পাকিস্তানের বিপক্ষে। সেই দলের মাত্র ছয়জনকে ভারতের বিপক্ষে রাখা হয়েছে।
ওই দলটির বেশ কয়েক জন খেলোয়াড় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান সফরে যেতে আপত্তি তোলেন। যা নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। মালিঙ্গা তাদেরই একজন। শুধু তাই নয়, চলতি বছরের জুন মাসের দিকে শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গেও তার বিবাদের খবর পাওয়া যায়। ক্রীড়ামন্ত্রী দাইয়াশ্রী জয়শেখর লঙ্কান বোর্ডে বেশ প্রভাবশালী।
মালিঙ্গাকে কেন জাতীয় দলে রাখা হয়নি সে বিষয়ে কিছু বলেনি শ্রীলঙ্কান নির্বাচকরা। সর্বশেষ কয়েক মাসে তার ফর্ম অবশ্য খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। বিপিএলে বেশ খরুচে বোলিং করে ৮ ম্যাচে ৮ উইকেট পান। ২০১৫ সালে বড় ধরনের ইনজুরি থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন। সেই থেকে জাতীয় দলে ফর্ম একদম খারাপ না হলেও বোলিং ফিগার তার নামের সঙ্গে বেমানান। ওয়ানডে খেলার ঘোষণা দিয়ে রাখলেও ডাক পাচ্ছেন না। এবার টি-টুয়েন্টিতেও একই অবস্থার ভেতর পড়লেন।
ভারতের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার টি-টুয়েন্টি দল: থিসারা পেরেরা (অধিনায়ক), উপল থারাঙ্গা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, কুশল পেরেরা, দানুশঙ্কা গুনাথিলাকা, নিরোশান ডিকেভেল্লা, আসিলা গুনারত্নে, সাদিরা সামারাবিক্রম, দাশুন শাঙ্কা, চতুরঙ্গ ডি সিলভা, সাচিথ পাথিরানা, অকিলা ধনঞ্জয়া, দুশমন্ত চামিরা, নুয়ান প্রদীপ, বিশ্ব ফার্নান্ডো।







