করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কল্যাণে আগামী শীতে মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসবে বলছেন ভ্যাকসিন তৈরির অন্যতম প্রতিষ্ঠান বায়োনএটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক উগুর সাহিন।
তিনি বলছেন, চলতি শীতে পরিস্থিতি কঠিন হবে। কারণ করোনা সংক্রমণের ওপর ভ্যাকসিন খুব বেশি প্রভাব রাখতে পারবে না। তবে আগামী শীতে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসবে।
বায়োএনটেকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ফাইজার ভ্যাকসিন তৈরি করছে। নিজেদের তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ৯০ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে পারে বলে দাবি প্রতিষ্ঠান দুটি।
বিবিসি বলছে: বিশ্বের ৬টি (যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তুরস্ক) দেশে ৪৩ হাজার ৫০০ জনের দেহে এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষায় কোনো রকম ঝুঁকি দেখা যায়নি।
বিজ্ঞান ও মানব সমাজের জন্য এটি বড় সাফল্য বলে দাবি করেছে ফাইজার ও বায়োএনটেক।
চলতি মাসের শেষের দিকে জরুরি প্রয়োজনে তারা এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।
আশা করছে যে, এবছরের শেষের দিকে পাঁচ কোটি ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারবে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ ১৩০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরির কথা বলছে। তবে এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য একটি সমস্যা হলো, এটি মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখতে হবে।







