আগামী বছরের প্রথমদিকে শুরু হচ্ছে ২ হাজার ৪শ’ মেগাওয়াটের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল স্থাপনার নির্মাণ প্রক্রিয়া। এরইমধ্যে ভূমি প্রস্তুতের পাশাপাশি এ মেগা প্রকল্পের ভেতরে ধীরে ধীরে বাড়ছে নানান অবকাঠামো। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আশা করছেন, নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে চুক্তির সব প্রক্রিয়া ।
হার্ডিঞ্জ সেতুর খুব কাছেই ঈশ্বরদীর রূপপুরে গড়ে উঠছে এ প্রকল্প। বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে কর্মযজ্ঞ।
ভূমি প্রস্তুতের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে, মূল স্থাপনা নির্মাণের জন্য আনুষাঙ্গিক অবকাঠামোর সঙ্গে বাড়ছে কারিগরি ব্যস্ততাও ।
শক্তিশালী অবকাঠামোর জন্য এ অঞ্চলের ২শ’ বছরের বন্যা, ঝড় ও ভূমিকম্পের রেকর্ড বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে মাটির অনেক গভীর থেকে গড়ে তোলা হবে মূল স্থাপনার কাজ। ইন্টারন্যাশনাল এটমিক এনার্জি এসোসিয়েশনের অনুমোদন পাওয়া সবশেষ পরীক্ষিত প্রযুক্তি ব্যবহার হবে এ বিদ্যুৎ প্রকল্পে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শওকত হোসেন জানান, পারমাণবিক কেন্দ্রের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি যাচাই করার প্রক্রিয়া চলছে। এক্ষেত্রে জাপানের ফুকুশিমা দুর্ঘটনার কথাও স্মরণে রয়েছে।
২০২১ সালে প্রথমদফায় উৎপাদন হবে ১২শ’ মেগাওয়াট এবং পরের দু’বছরে আরো ১২শ’ মেগাওয়াট ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে ঝুঁকি নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। সেদিক বিবেচনায় রেখেই ভিত্তি কাজ এগিয়ে চলছে।
রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এ প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হবে বলে আশা করছে দু’দেশ ।






