আওয়ামী লীগসহ ১১টি দলকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি না দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া ও বিগত তিনটি নির্বাচনের বৈধতা প্রশ্নে করা রিট পরিচালনা না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রিটের পক্ষের আইনজীবী আহসানুল করিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘রিটকারিরা রিট দুটি পরিচালনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় ২০৮ ও ২০৯ নম্বর ক্রমিকে থাকা রিট দুটি না চালানোর কথা জানান রিট আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম। এরপর আদালত রিট আবেদন দুটি উত্থাপিত হয়নি (নট প্রেস) বলে খারিজ করে দেন।
আওয়ামী লীগসহ ১১টি দলকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি না দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ তিনজন আবেদনকারী রিটটি করেন। রিটকারি অপর দুজন হলেন মো. আবুল হাসনাত ও মো. হাসিবুল ইসলাম। এই রিটে আওয়ামী লীগ সহ ১১টি দলকে ভবিষ্যতে সব ধরনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়।
এছাড়া দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে অপর একটি রিট করেন তিন রিটকারি। যেখানে বিগত তিন নির্বাচনের গেজেট বাতিল চাওয়া হয়। এছাড়া ঐসব নির্বাচনে এমপিদের সকল সুযোগ সুবিধা বাতিল করে তা প্রত্যাহারের নির্দেশনা চাওয়া হয়। একই সাথে ওই সব নির্বাচনের এমপিদের বিরুদ্ধে কেন রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ আনা হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়।
হাইকোর্টে দুটি রিট করার কথা জানিয়ে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট সোমবার দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।
এর আগে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে একটি রিট করেছিল ‘সারডা সোসাইটি’ নামে একটি সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া। তবে রাষ্ট্র পক্ষের আবেদনে গত ১ সেপ্টেম্বর রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।







