চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    https://www.youtube.com/live/AprmPSB8ZdA?si=2EQ6p1yXPemj_VEJ
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘আইএস টুপি’, আইএসের টুপি

কবির য়াহমদকবির য়াহমদ
১১:০৮ পূর্বাহ্ন ০১, ডিসেম্বর ২০১৯
মতামত
A A

হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলার বিচার করতে পেরেছে বাংলাদেশ। অবশ্য এই বিচার সর্বশেষ বিচার নয়। বিচার থেকে শাস্তি কার্যকরের আরও ধাপ আছে। তবে বিচারিক আদালতের বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে যেখানে ওই হামলায় জড়িত থাকা জীবিত সাতজনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। চার্জশিটভুক্ত অপর এক আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। এই মামলা দেশে-বিদেশে আলোচিত এক ঘটনা। বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন এই হামলায় নিহতদের বেশিরভাগই বিদেশি নাগরিক। ২২ নিহতের মধ্যে ১৭ জনই ছিল বিদেশের নাগরিক। পুলিশ কর্মকর্তাও ছিলেন নিহতের তালিকায়। এছাড়াও ওই ঘটনায় আহত হন ৩৬ জন।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করলেও বাংলাদেশ সরকার তা স্বীকার করেনি। বাংলাদেশে আইএস জঙ্গি নেই বলেও দাবি ছিল সরকারের। এ নিয়ে ওই সময়ে নানা আলোচনা হয়েছে। হলি আর্টিজানের ওই জঙ্গি হামলাসহ আরও অনেক জঙ্গি হামলার পর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে আইএসের নাম আসলেও সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেটাকে অস্বীকার করা হয়েছিল। সরকার বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ব অস্বীকার করলেও জঙ্গিবিরোধী অভিযান বন্ধ করেনি। বরং নানা জায়গায় গড়ে ওঠা জঙ্গি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশ-র‌্যাব-সেনা কর্তৃক পরিচালিত সেই সব অভিযানে জঙ্গিদের অনেকেই অকুস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে। এই প্রাণ হারানোর মধ্যে কখনও বা গুলি বিনিময়ে, আবারও কখনও বা আত্মঘাতী তরিকায়। যেভাবেই হোক জঙ্গিদের নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টায় থেকেছে সরকার। এখানে তারা অনেকটাই সফল হয়েছে। যদিও জঙ্গি আস্তানায় জঙ্গিদের প্রাণ হারানোর ঘটনায় দেশে নানা আলোচনা হয়েছে, রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখেও পড়েছে সরকার, তবু তারা তাদের লক্ষ্য থেকে পিছপা হয়নি। যার সুফল এখন অনেকটাই ভোগ করছে বাংলাদেশ।

দেশে আইএস নেই, বা আইএস আছে- এই বিতর্কের চাইতে জরুরি জঙ্গিদের দ্বারা পরিচালিত হামলা থেকে আমরা দেশবাসী নিরাপদ কি না। সরকারের জঙ্গিবিরোধী সকল অভিযানকে তাই স্বাগত জানাতেই হয়, কারণ দেশে আইএসের উপস্থিতি ও অস্তিত্বকে অমীমাংসিত রেখে তারা তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। দেশে আইএস নেই- এমন দাবি করেও তারা আইএসসহ নানা নামের জঙ্গিদের নির্মূলে অভিযান পরিচালনা করেছে। এখানে সরকারের সাফল্য আছে, এখানে সরকারের সৎ উদ্দেশ্য আছে। এজন্যে সরকারকে ধন্যবাদ।

কেবল জঙ্গি নির্মূলেই সরকারের অভিযান সীমাবদ্ধ থাকেনি, তারা দেশে-বিদেশে আলোচিত হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলার বিচারিক কাজ সম্পাদন করেছে। আলোচিত এই জঙ্গি হামলার বিচার গত ২৭ নভেম্বর বিচারিক আদালতে সম্পাদন হয়েছে। শাস্তি কার্যকরের ধারাবাহিকতায় এই মামলা হাইকোর্টে আপিল হয়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রার্থনা পর্ব শেষ করে শাস্তি কার্যকরের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এটা আমাদের প্রচলিত বিচারিক ধারা, এর ব্যত্যয় হয় না, হবেও না। এখানে সময়ের ব্যাপার আছে, আছে অপেক্ষার পর্বও। এটা বিচার বিভাগের কাজ। তবে এই বিচার বিভাগের কাজের মধ্যে যে নির্বাহী বিভাগের বেশ কিছু কাজও থাকে সেটা অস্বীকারের উপায় নাই। বিচারিক আদালতের বিচারক সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন না ঠিক মামলার তদন্ত থেকে বিচারিক আদালতের কার্যক্রমের সবকিছুই সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। বাস্তবতা বলছে, সরকার চায় না বলে অনেক মামলা তদন্তের পথেই আটকা পড়ে যায়; আবার সরকার চায় বলে অনেক মামলায় গতির সঞ্চার হয়। হলি আর্টিজানের জঙ্গি হামলার মামলা ও রায়ের ঘটনা এর থেকে ব্যতিক্রম নয়। বলা যায়- সরকার এই জঙ্গি হামলার বিচার চেয়েছে বলে এটা অনেকটাই দ্রুততার সঙ্গে সম্পাদিত হয়েছে।

বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি যে বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে সেটা হচ্ছে রায়ের দিন জঙ্গিদের আদালতের ভেতরে-বাইরে দেখানো প্রতিক্রিয়া। শরীরী ভাষায় তারা দম্ভ দেখিয়েছে যেমন তেমনি দম্ভ দেখিয়েছে বাচনিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও। দম্ভ ছিল তাদের পরিচ্ছেদেও। ২২ প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পরও তারা ন্যূনতম অনুশোচিত ছিল না, যা তাদের শারীরিক ভাষায় প্রকাশিত। অপরাধের কৃতকর্মের নিশ্চিত শাস্তি অনুমান করেও তাদের মধ্যে অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়নি। এ থেকে বুঝা যায় তারা কতখানি ব্রেন ওয়াশড। মানুষের প্রাণ হরণের পরেও তারা এ নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিল না। এমনকি মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি ঘোষণার পরেও তাদের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করেনি। এ থেকে প্রমাণ হয় গ্রেপ্তারের পর কারাগারে থাকার পর্যায় পর্যন্ত তাদের মধ্যে কোনোধরনের পরিবর্তন আসেনি। তারা যে উদ্দেশ্যে মানুষ হত্যা করেছিল সেই উদ্দেশ্যে এখনও স্থির। তারা নিজেদেরকে জঙ্গি সংগঠন আইএসের অনুসারী দাবি করেছিল, এবং সেই আদর্শে এখনও অনড় রয়েছে।

কেবল তাই নয় একাধিক জঙ্গি রায়ের দিন মাথায় যে টুপি পরেছিল সেখানে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সিম্বল রয়েছে। এই টুপি তারা প্রকাশ্যে প্রদর্শন করেছে বিপুল ঔদ্ধত্যে। অনুতাপহীন জঙ্গিদের রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে ও প্রিজনভ্যানে ‘আল্লাহ আকবর’ স্লোগান দিয়ে তারা প্রমাণ দিতে চেয়েছে সাধারণ মানুষ হত্যা করাকে তারা তাদের ভাষায় ঈমানি কাজের অংশ বলেই মনে করে। কেবল তাই নয় প্রিজনভ্যান থেকে বের হওয়ার সময় জঙ্গিরা ভিক্টরি সাইন ‘ভি’ দেখিয়েছে। নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে এমন কাজগুলো যারা করতে পারে তাদের অবস্থান কোথায় তা ভাবার দরকার। জঙ্গিবাদ আর মৌলবাদের শেকড় কত গভীরে প্রোথিত এটা তারও এক প্রমাণ।

Reneta

যতই বলা হোক, আইএস জঙ্গি এবং তাদের অনুসারীরা ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় তা আসলে ঠিক নয়। ধর্মের নামের যারা নিজেদের জীবনকে যেখানে তুচ্ছজ্ঞান করছে সেখানে এরা ধর্মের সঙ্গেই সম্পর্কিত। মুখে আমাদের যারাই তাদেরকে প্রকৃত ধার্মিক নয় বলে ফতোয়া দিক না কেন, রায়ের দিনের জঙ্গিদের এই প্রতিক্রিয়া-প্রকাশভঙ্গি যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকের আনন্দের উপলক্ষ হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। অনেকেই এসব দেখে কিছুটা হলেও উল্লাস করেছে, অনেকেই তাদেরকে সাহসী বলেও জ্ঞান করছে। আইএস জঙ্গিরা ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়, আবার প্রচ্ছন্ন কিংবা প্রকাশ্য উল্লাস-ইঙ্গিত কি তবে আমাদের অনেকের মুখের ভাষা আর মনের ভাষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়?

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যানের মাথায় আইএস টুপি ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এই আলোচনার সময়ে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, আইএসের কোনো টুপি নেই। কিন্তু টুপিতে যে লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, তা আইএসের, এটা তো অস্বীকার করা যাবে না। আইএস তাদের প্রচার কাজ চালানোর জন্য কিছু ‘সিম্বল’ ব্যবহার করে- যেমন কালো কাপড়, কালো পাঞ্জাবি, আরবি শব্দ ইত্যাদি। এই ঘটনায় আবার তদন্ত কমিটি হয়েছে, এই কমিটি জানিয়েছে আইএস টুপি জঙ্গিরা কারাগার থেকে নিয়ে এসেছে। আবার কারা কর্তৃপক্ষ এ দায় নিতে চায় না। তাদের দাবি এটা কারাগার থেকে নয়, অন্য কোথাও থেকে এসেছে।

পাল্টাপাল্টি এই বক্তব্যের সময়ে এটা হয়ত অমীমাংসিত থেকেই যাবে যে কার গাফিলতিতে জঙ্গিদের এই আইএস টুপি প্রদর্শন। কারাগার থেকে হোক অথবা পুলিশি প্রহরায় থাকাকালে হোক জঙ্গিরা আইএস টুপি প্রদর্শন করেছে- এটা সত্য। এই বাস্তবতাকে মাথায় রাখলে এখানে পুলিশের ব্যর্থতা, পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, পুলিশের গাফিলতিকে পাশ কাটানো যাবে না। কারণ জঙ্গিরা যে সময়ে আইএসের সিম্বল সম্বলিত টুপি প্রদর্শন করেছে তখন তারা পুলিশের বেষ্টনীর মধ্যেই ছিল। যেখান থেকেই এই টুপি আসুক না কেন পুলিশের প্রাথমিক দায়িত্বই ছিল সেটা তাদের মাথা থেকে অপসারণ করা। কিন্তু পুলিশ সেটা করেনি। ফলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে থাকা জঙ্গিদের মাথায় আইএস টুপি।

আইএসের নিজস্ব কোন টুপি নেই সিটিটিসি প্রধান এমন দাবি যতই করুন না কেন জঙ্গিদের মাথায় থাকা টুপিতে আইএসের প্রতীক রয়েছে। এই প্রতীক আইএসের পরিচিতি স্মারক। আইএসের এই পরিচিতি স্মারক টুপি, শাল, পাঞ্জাবি, পাজামা, মাফলার, পতাকা, জুতা, মোজা, অন্তর্বাস- যেখানেই থাকুক না কেন প্রকাশ্যে এটা ওই জঙ্গি গোষ্ঠীকেই প্রতিনিধিত্ব করছে। এই প্রতিনিধিত্বকারী চিহ্নগুলো টুপি নাকি অন্তর্বাসে থাকবে সেটা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। আইএসের পরিচিতি-স্মারক কিছু প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কেউ বা সরকার-প্রশাসনের কারও সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ নাই যে আইএসের কী আছে আর কী নেই। সরকার-প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের দেখার দরকার এটা আইএসের প্রকাশিত অপরাপর চিহ্নের সঙ্গে মেলে কি না; এই চিহ্নগুলো প্রকাশ্যে এনে জঙ্গিরা কী বার্তা দিতে চায়, আর কী হতে পারে এর প্রভাব-প্রতিক্রিয়া; এবং এমন অবস্থায় তাদের কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, এবং এই পরিচিতি স্মারক প্রকাশ্যে আসার পথ পরিক্রমায় তাদের ব্যর্থতা কোথায়?

জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান ও জঙ্গি জাহাঙ্গীর আলম রাজীব আইএসের স্মারক চিহ্ন সম্বলিত টুপি প্রদর্শন করেছে। প্রদর্শনকালে পুলিশ ছিল, কিন্তু সেটা তারা খুলে নেওয়ার চেষ্টা করেনি। প্রকাশ্যে আসার পর এই আইএস আবারও আলোচনায় এসেছে। এই ব্যর্থতা পুলিশের। বাস্তবতা হলো পুলিশ শুরুতেই নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে প্রথমে কারা কর্তৃপক্ষের ওপর দায় দিতে চেয়েছে, এরপর এই টুপি আইএসের নয় বলেও দাবি করেছে। এটা ঠিক হয়নি। যদিও কারা কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলছে এটা কারাগার থেকে যায়নি।

আইএসের স্মারক চিহ্ন আরবি বর্ণে লিখা। এটা দেখেও পুলিশের এই টুপি সরানোর চেষ্টা না করাটা ব্যর্থতা, এই ব্যর্থতা অমার্জনীয়। কারণ এই ব্যর্থতার মাধ্যমেই আইএসের বার্তা আবারও সকলের কাছে পৌঁছেছে। যে পুলিশ সদস্যরা আসামিদের আদালতে নেওয়া-আসার পথে রয়েছিল তারা কি তবে আরবি বর্ণ দেখেই নিজেদের দায়িত্ব ভুলে গেল? আইএস টুপি বলে যা শনাক্ত হচ্ছে সেটা সরাতে কি তাদের হাত কাঁপছিল? কারণ কি আরবি বর্ণ দেখে তাদের মনে গুনাহগার হওয়ার ভয় ছিল? এখানে পুলিশের পেশাগত দায়িত্বের প্রসঙ্গ চলে আসে; কারণ আরবি বর্ণ দেখেই তারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।

আইএস টুপি, কিংবা আইএসের টুপি- ঘটনা যাই হোক না কেন, এই টুপি প্রদর্শনে জঙ্গিরা জানিয়ে দিয়েছে তারা তাদের পুরনো আদর্শ থেকে সরে আসেনি। তাদের চিন্তাচেতনায় জঙ্গিবাদ বলে তাদের মধ্যে অনুশোচনা নেই। এত এত মানুষের মৃত্যু আগের মত এখনও তাদের অনুতপ্ত করছে না। তাই যেকোনো উপায়ে তারা তাদের অস্তিত্বের জানান দিয়েছে। তাদের এই অস্তিত্বে জানানের সময়ে সহায়ক হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আর এ কারণে তাদের বিভাগীয় শাস্তি দাবি করি। একই সঙ্গে দাবি করি ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে যেন কাদা ছোড়াছুঁড়ির অবসান হয়। এই কাদা ছোড়াছুঁড়িতে লাভবান কেউ নয়, কারণ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার দায় এসে পড়ছে আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থার ওপরই।

হলি আর্টিজান-আসামিরা এজলাসেজঙ্গিবিরোধী অভিযান আমাদের সকলের। এখানে যেকোনো ভুল থেকে আমরা শিক্ষা নেব। এই শিক্ষা নেওয়াটা হতে পারে ব্যর্থতার দায় স্বীকারের মাধ্যমেও! এটা আইএস টুপি, এটা আইএসের টুপি নয়- এই বার্তা সুখের নয়, এই বার্তা ব্যর্থতা ঢাকার প্রয়াস। জঙ্গিবিরোধী অভিযানে আমরা ব্যর্থ হতে চাই না। এই ব্যর্থতা কোনো বাহিনীর হবে না, এই ব্যর্থতার দায় চুকাতে হবে রাষ্ট্রকেই!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আইএসজঙ্গি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

চেলসিকে হারিয়ে শীর্ষে থাকা আর্সেনালের আরও কাছে ম্যানসিটি

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এবার হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

এপ্রিল ১২, ২০২৬

বিশ্বের নতুন পরাশক্তি ইরান

এপ্রিল ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আটকে পড়া বাংলাদেশী জাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিতে পারবে: ইরানি রাষ্ট্রদূত

এপ্রিল ১২, ২০২৬

শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর

এপ্রিল ১২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT