ইউরোপের একমাত্র সমুদ্র সৈকত, যা দেখার জন্য প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমান দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক। ওই সমুদ্র সৈকত থেকে শুধু সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত ব্যতীত সকল প্রকার বিনোদন পাচ্ছে দর্শনার্থীরা।
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে সম্প্রতি খুলে দেওয়া হয়েছে ‘‘মসকোরিয়াম’’ নামে বৃহত্তর এক অ্যাকুরিয়াম কাম কমপ্লেক্সকে। ওই কমপ্লেক্সটি আসলে একটি সমুদ্র অন্বেষণ কেন্দ্র। অ্যাকুরিয়ামের অঞ্চলটি গড়ে উঠেছে ৫৩ হাজার বর্গ মিটার এলাকা নিয়ে। অ্যাকুরিয়ামের পুলে পানি রাখা যায় ২৫ মিলিয়ন লিটার। এখানে শুধু মস্কোর দর্শনার্থী নয়, সারা বিশ্বের সমুদ্রমনা দর্শনার্থীরা সমুদ্রের নীচে নিজেকে আবিস্কার করতে পাড়ি জমান সেখানে।
বড় বড় তিমি, ডলফিন বিভিন্ন প্রজতির সামুদ্রিক মাছ থেকে শুরু করে ২৫০ ধরণের মাছ রয়েছে সেখানে। মসকোরিয়াম তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা -অ্যাকুরিয়াম, তিমিদের খেলার জন্য পুল এবং ডলফিনের জন্য সুইমিং পুল।
আগত দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন ডলফিনের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শিত খেলাগুলি সবচেয়ে জনপ্রিয়। শিশুদের জন্য রয়েছে তিমি ও ডলফিনের দিনে মজার মজার খেলা।
লিডমিলা নামক ৭৩ বয়সী এক দর্শনার্থী জানান, এতো চমৎকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য এখানে সত্যিই সারা জীবন মনে রাখার মতো।
সমুদ্রের চেয়েও প্রশান্তি পেয়েছি, মনে হচ্ছে সমুদ্রের নীচে মৎসকন্যা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি, উল্লাসিত হয়ে এমনটাই বলছিলেন মার্কিন এক তরুণী।
এই সমুদ্র অন্বেষণ কেন্দ্রে গত পাঁচ দিনে ভীড় করেছে প্রায় এক লাখ দর্শনার্থী।
আনন্দ আর উল্লাস যান্ত্রিক জীবনে দেয় বাঁচার প্রেরণা। সেই মূর্হুতে একটু প্রকৃতির ছোঁয়া, একটু গভীর তলের অ্যাকুরিয়াম প্রশান্ত সমুদ্রের হাওয়ায় মনে প্রশান্তি পেলে আনন্দের মাত্রা নিশ্চয় আরও বেড়ে যায় এমনটাই জানিয়েছেন মসকোরিয়ামের কৃর্তপক্ষ।






